সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে শোকজ ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহতের আশঙ্কা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সংহতি প্রকাশ শায়খে চরমোনাইয়ের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের ‘তাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়, মেধায় ছিলেন তুখোড়’ ভারতে খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২ শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে ছবি তোলায় শোকজ, প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না : আখতার হোসেন নূরানী বোর্ডের কেন্দ্রীয় সনদ পরীক্ষার মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ শুরু জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার জমিয়ত নেতা ড. শোয়াইব আহমদের

নিজেদের বাড়ি-ঘর নিজেরাই পোড়াচ্ছেন আর্মেনিয়ার নাগরিকরা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সীমান্তের বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় দুই দেশের শান্তি চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী এ অঞ্চলকে আজারবাইজানের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আর এ জন্য হাজার হাজার জাতিগত আর্মেনীয় অঞ্চলটি ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, আন্তর্জাতিকভাবে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল আজারবাইজানের অংশ হিসেবে পরিচিত। তবে ১৯৯৪ সাল থেকে এ অঞ্চল জাতিগত আর্মেনীয়দের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছিল। আজারবাইজানের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী আগামীকালের মধ্যে আর্মেনীয়দের এ অঞ্চল ছেড়ে দেশটির অন্য কোনো জেলায় চলে যেতে হবে। আর এ জন্য কিছু আর্মেনীয় তাদের বাড়িতে নিজেরাই আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে, যাতে করে কোনো আজারবাইজানি তাদের বাড়িতে বসবাস না করতে পারেন।

নাগরনো-কারাবাখ বিরোধপূর্ণ এলাকাটি জাতিগত আর্মেনীয় অধ্যুষিত। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময় ভোটাভুটিতে অঞ্চলটি আর্মেনিয়ার সঙ্গে থাকার পক্ষে রায় দেয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। ১৯৯০ সালের ওই যুদ্ধে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সে সংঘাত থামে।

ওই এলাকাটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও তা আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তাদের সমর্থনে ছিল আর্মেনিয়ার সরকার। আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলোর মধ্যস্থতায় দশকের পর দশক আলোচনা চললেও এ অঞ্চল নিয়ে শান্তিচুক্তি অধরা থেকে গেছে। সবশেষ গত মঙ্গলবার থেকে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন হয়। এতে বিরোধীয় কারাবাখ অঞ্চলে রাশিয়ার শান্তিরক্ষীবাহিনীর পর্যবেক্ষণ করার কথা রয়েছে।

এরপর গত বুধবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে তাদের সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর হয়েছে। এ সমঝোতার ফলে মস্কোর সেনাবাহিনীর সঙ্গে আঙ্কারার সেনাবাহিনী ওই অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ