সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে শোকজ ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহতের আশঙ্কা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সংহতি প্রকাশ শায়খে চরমোনাইয়ের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের ‘তাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়, মেধায় ছিলেন তুখোড়’ ভারতে খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২ শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে ছবি তোলায় শোকজ, প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না : আখতার হোসেন নূরানী বোর্ডের কেন্দ্রীয় সনদ পরীক্ষার মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ শুরু জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার জমিয়ত নেতা ড. শোয়াইব আহমদের

নিজের টাকা খরচ করে প্রতিষ্ঠা করা পাঠাগার জনগণকে দান করলেন সৌদি নারী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বেলায়েত হুসাইন।।

জনসাধারণের মধ্যে পড়ার আগ্রহ সৃষ্টি করতে নিজের ব্যক্তিগত পাঠাগারকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন আফা আলি নামের এক সৌদি নারী। শৈশব থেকেই পড়ার প্রতি তার প্রচুর আগ্রহ ছিলো- সেই আগ্রহ থেকেই এ পর‌্যন্ত নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে অনেক বই কিনেছেন। তা ছাড়া কারো থেকে কোন উপহার পেলেও তা দিয়ে বই কিনতেন তিনি-এভাবে তাঁর সংগ্রহে এখন বইয়ের বিশাল সমাহার গড়ে উঠেছে।

এপ্রসঙ্গে আফা আলি বলেন, সময়ের সঙ্গেসঙ্গে বই কেনা ও পড়ার প্রতি আমার আগ্রহও বেড়েছে। এ কথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, বই পড়ার আগ্রহ আমাকে পাগলপ্রায় করে ফেলেছিলো।

সৌদির যেখানেই বইমেলা হতো-সেখানেই বই কেনার জন্য আমি ছুটে যেতাম। জেদ্দার বইমেলা থেকে সর্বপ্রথম আমার পাঠাগার প্রতিষ্ঠার বিষয়টি মাথায় আসে।

আফা আলির পাঠাগারটি মক্কার আল ওয়ালা মহল্লায় অবস্থিত। প্রথমে এখানের একটি দোকান ভাড়া নিয়ে তাতে ‘আ’লামুল কিরাআহ’ বা অধ্যায়নের পৃথিবী নাম দিয়ে একটি বাণিজ্যিক পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়।

তিনি জানান, পাঠাগ্রহী যেকেউ দোকানে আসলে তার জন্য দুটি সুবিধা দিতে আমি অনন্য এক পদ্ধতি গ্রহণ করি; যার বই পড়ার শখ, সে দোকানের নির্দিষ্ট স্থানে আসন গ্রহণ করে বই পড়তে পারে। আর যে বই সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চায় তাকে প্রতীকী বা নামমাত্র মূল্যে বই দেওয়া হয়।

এরইমধ্যে আফা আলির এই কাজ অনেকের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ব্যাংক এবং বিজনেস লিডারশিপ ইনিস্টিটিউট পাঠাগার পরিচালনায় তাঁকে সহয়তা করছে।

তিনি বলেন, পাঠাগার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য টাকা কামানো নয়; বরং জনসাধরণের মধ্যে পড়ার উৎসাহ সৃষ্টি করা। আগ্রহীরা এখন এক স্থানে বসেই প্রশান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশে বই পড়তে পারেন।

আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা- মানুষ পড়ার জন্য অত্যন্ত আগ্রহ ও উদ্দীপনা নিয়ে আমার পাঠাগারে আসতে শুরু করেছে। সূত্র: উর্দু নিউজ

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ