আওয়ার ইসলাম: এবার বাংলাদেশের কাছে বিনিয়োগ চায় পাকিস্তান। দেশটির ঢাকায় নিযুক্ত হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী ঢাকার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছেন, তথ্য-প্রযুক্তি ও এ সংশ্লিষ্ট সেবা খাতে বেশ দক্ষতা এবং সফলতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিষ্ঠানসমূহ পাকিস্তানে বিনিয়োগ করতে পারে।
চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি) ব্যবহারের মাধ্যমে স্বল্প সময় ও খরচে চীন এবং মধ্য এশিয়ার দেশসমূহ ও রাশিয়ায় পণ্য পরিবহন করা যাবে। এই সুবিধা নিতে বাংলাদেশি শিল্পোদ্যোক্তাদের পাকিস্তানে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জোর আহ্বান জানিয়েছেন হাইকমিশনার।
গতকাল মতিঝিল চেম্বার ভবনে ‘ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ এর (ডিসিসিআই) সভাপতি শামস মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব কথা বলেন ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী।
এতে উপস্থিত ছিলেন- ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি এন কে এ মবিন, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ বাশির উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আফসারুল আরিফিন, সচিব মো. জয়নাল আবদীন, পাকিস্তান দূতাবাসের কমার্শিয়াল সেক্রেটারি মোহাম্মদ সুলেমান খান এবং কমার্শিয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট গোলাম নবী প্রমুখ।
ডিসিসিআই সভাপতি শামস মাহমুদ বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৪৩ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। দুই দেশের মধ্যকার ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাসমূহ নিরসন একান্ত আবশ্যক।
তিনি পাকিস্তানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশ হতে বিশেষ করে পাট ও পাটজাত পণ্য, তথ্য-প্রযুক্তি ভিত্তিক সেবা, সিরামিক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিখাদ্য এবং ওষুধ আরও বেশি হারে আমদানির আহ্বান জানান। এ ছাড়াও তিনি ব্যবসায়ীদের স্বার্থে ভিসা প্রক্রিয়া সহজতর করার আহ্বান জানান।
এমডব্লিউ/