আওয়ার ইসলাম: যুক্তরাষ্ট্রের ফুড এন্ড ড্রাগ এ্যাডমিনেস্ট্রেশন এ অনুমোদন দিয়ে বলছে এ চিকিৎসায় সফলতা পাওয়া গেছে। মার্কিন ওষুধ কোম্পানি রিজেনেরনের এ ওষুধটি হচ্ছে ‘ইনমাজেব’ এবং এ মিকচারটি তৈরি করা হয়েছে তিনটি মনোক্লোনাল এ্যান্টিবডির মিশ্রণে।
কঙ্গোতে শিশু ও বয়স্ক মিলিয়ে ৩৮২জনের ইবোলা চিকিৎসায় ‘ইনমাজেব’ ব্যবহার করা হয়। ৪০ বছর পর কঙ্গোতে ১১তম ইবোলা রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। ‘ইনমাজেব’ ব্যবহারের পরও ৩৩ শতাংশ রোগী ২৮ দিনে মারা গেছে। কিন্তু একই ওষুধ ব্যবহারে ৫১ শতাংশ রোগী বেঁচে গেছেন।
মার্কিন ওষুধ কোম্পানি রিজেনেরনের সঙ্গে বায়োমেডিকেল এ্যাডভ্যান্সড রিসার্চ এন্ড ডেভলপমেন্ট অথোরিটি যৌথ উদ্যোগে এ ওষুধটি তৈরিতে কাজ করে। সহায়তা করেছে কঙ্গোর ন্যাশনাল হেলথ ইনস্টিটিউট। কঙ্গোতে ২০১৮ সালে ইবোলায় ৩ হাজার ৪৭০ জন আক্রান্ত হওয়ার পর ২ হাজার ২৮৭ জন মারা যায়। এ রোগটির কঙ্গোতে সবচেয়ে বড় ও দ্বিতীয়বারের মত প্রাদুর্ভাব ঘটে।
এর আগে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলায় ২৮ হাজার ৬৫২ জন ইবোলায় আক্রান্ত হওয়ার পর ১১ হাজার ৩২৫ জন মারা যায়। ছড়িয়ে পড়ে আরো ১০টি দেশে। রক্তের মাধ্যমে ইবোলা ছড়িয়ে পড়ে এবং সংক্রমণ ঘটায় দ্রুত। গত বছর এফডিএ ইবোলার ভ্যাকসিন এরভেবো’র অনুমোদন দেয়।
এমডব্লিউ/