নূরুল্লাহ্ আশরাফী।।
শাগরেদ, আল্লামা সাঈদ আহমাদ পালনপুরী [রহিমাহুল্লাহ্]
দারুল উলুম দেওবন্দের শাইখুল হাদিস, ফকীহুল আসর আল্লামা সাঈদ আহমাদ পালনপুরী দুনিয়ার সংক্ষিপ্ত সফরকে আল-বিদা জানিয়ে আখেরাতের চিরস্থায়ী সফরে রওয়ানা হয়ে গেছেন। আল্লাহ্ তা'আলা হযরতের দারাজাতকে বুলন্দ করে দিন,আ-মিন।
আমি হযরতের শাগরেদ ও মুহিব্বিন এবং শুভানুধ্যায়ীগনের সমীপে কয়েকটি কথা আরয করতে চাচ্ছি -
১। হযরতের জন্য খুব দু'আ এবং ঈসালে সওয়াব করুন। ২। হযরতের ইলমের সমুদ্রকে পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেয়ার ফিকির করুন। হযরতের তাসনীফাতগুলো বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিন। ৩। হযরতের জীবদ্দশায় তার সবচেয়ে অপছন্দনীয় কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিলো ফটো তোলা। এমনকি হযরত [রহিমাহুল্লাহ্] তাদেরকে লা'নত করেছেন যারা তার ফটো তুলে এবং তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়!
অতএব, আপনাদের সমীপে আমার করজোড় অনুরোধ- ছবি তোলা/সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো হযরতের অপছন্দীয় বিষয় ছিলো, শুধুমাত্র এতটুকু চিন্তা করে হযরতের মৃত্যু সংবাদ জানাতে গিয়ে হযরতের ফটো ব্যাবহার করবেন না!
ইতিমধ্যে যারা হযরতের ফটো ব্যাবহার করে মৃত্যু সংবাদ প্রকাশ করেছেন, অনুগ্রহ করে হযরতের ফটো ডিলেট করে দিন। জাযাকুমুল্লাহ্।
মুফতি সাঈদ আহমাদ পালনপুরী
আবদুল্লাহ তামিম।।
মুফতি সাঈদ আহমাদ পালনপুরী (১৯৪২–২০২০) তিনি ছিলেন একজন ভারতীয় মুসলিম আলেম দীন। তিনি দারুল উলূম দেওবন্দের শাইখুল হাদিস ও সাবেক মুহতামিম।
পালানপুরী রহ. ১৯৪২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রথমে ১৩৭৭ হিজরিতে সাহারপুরের মাজাহিরুল উলূমে ভর্তি হন। পরবর্তীতে ঐতিহ্যবাহী দারুল উলূম দেওবন্দে চলে যান। সেখান থেকে তিনি পড়াশোনা শেষ করেন।
পালানপুরী রহ. ১৯৬৫ সালে রেন্ডার জামিয়া আশরাফিয়ায় শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। সেখানে প্রায় দশ বছর শিক্ষকতা করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি মনজুর নুমানির সুপারিশে দারুল উলূম দেওবন্দের শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পান। ২০০৮ সালে তিনি শায়খুল হাদিস ও দারুল উলূম দেওবন্দের অধ্যক্ষ হিসেবে দিায়িত্ব প্রাপ্ত হোন।
ভারতের প্রথম নির্বাচিত মহিলা রাষ্ট্রপতি প্রতিভা দেবীসিংহ পাটিল ভারতের ৬৪তম স্বাধীনতা দিবসে পালনপুরিকে সম্মানসূচক সার্টিফিকেট প্রদান করেন। সূত্র: উইকিপিডিয়া।
-এটি
