সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে শোকজ ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহতের আশঙ্কা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সংহতি প্রকাশ শায়খে চরমোনাইয়ের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের ‘তাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়, মেধায় ছিলেন তুখোড়’ ভারতে খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২ শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে ছবি তোলায় শোকজ, প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না : আখতার হোসেন নূরানী বোর্ডের কেন্দ্রীয় সনদ পরীক্ষার মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ শুরু জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার জমিয়ত নেতা ড. শোয়াইব আহমদের

শুধু এক উপজেলায় ত্রাণের ৫১ টন চাল ও ৯ লাখ টাকার হদিস নেই!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনাভাইরাসে দরিদ্র মানুষের জন্য দেশের প্রত্যেক উপজেলায় সরকারিভাবে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় কয়েক দফায় ২৫১ মেট্টিক টন চাল এবং ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে ৫১ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৯ লাখ টাকার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, ৫১ মেট্রিক টন চাল দুস্থ পরিবারের মাঝে বিতরণ না করে কোথায় কীভাবে বিতরণ করা হয়েছে তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। আর বাকি ৯ লাখ টাকা লাউ, আলু, মিষ্টি কুমড়া ও বস্তার গায়ে নাম ছাপানোর কাজে ব্যয় দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় পুরো উপজেলায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

ঘটনা জানাজানির পর তদন্তের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক সৈয়দ ফরহাদ হোসেন ও জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আখতার হোসেনকে নিয়ে দুই সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা প্রশাসক। তবে এখনো তদন্ত শুরু করতে পারেননি বলে বলে জানিয়েছেন ত্রাণ কর্মকর্তা আখতার হোসেন।

এ বিষয়ে উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (পিআইও) মিজানুর রহমান বলেন, বরাদ্দকৃত ত্রাণ সহায়তা ইউপি চেয়ারম্যানদের নামে ডেলিভারি অর্ডার দেয়া হয়। পরে সেগুলো প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় প্রথম পর্যায়ে ১২৫ জন, ২য় পর্যায়ে ২০০ জন এবং ৩য় পর্যায়ে ৩০০ জন করে প্রত্যেককে ১০ কেজি করে মোট ১০০ মেট্টিক টন চাল দেয়া হয়েছে।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দুটি খাদ্য গুদাম থেকে ৯০ মেট্টিক টন চাল সরবরাহ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৪র্থ দফায় প্রতিটি ইউনিয়নে ৬০০ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে বলে জানা গেছে। এ জন্য ইতোমধ্যে ৯৬ টন চাল বরাদ্দ এসেছে। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১৯৬ মেট্টিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে ও কিছু প্রক্রিয়াধীন। কিন্তু বাকি ৫৫ টন চাল এবং ৯ লাখ ২০ হাজার টাকার কোনো হদিস মিলছে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টিএমএ মবিন বলেন, বরাদ্দকৃত ৯ লাখ টাকা চেয়ারম্যানদের মাঝে বিতরণ করে দেয়া হয়নি। এগুলো দিয়ে লাউ, ডাল ও মিষ্টি কুমড়া কেনা হয়েছে। এ ছাড়া যে বস্তাগুলো কেনা হয়েছে সেগুলোর গায়ে নাম ছাপানোর কাজে ব্যয় করা হয়েছে।

আর ৫১ টন চাল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এই টাকাগুলো খরচ করার অধিকার উনাদের আছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ