রফিকুল ইসলাম জসিম: ভারতের দিল্লিতে পরিকল্পিত মুসলিম গণহত্যা, মসজিদ, মাদরাসা ও মুসলিমদের ঘরবাড়ীতে অগ্নিসংযোগ এর প্রতিবাদে এবং নরেন্দ্র মোদীর রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণ বাতিলের দাবীতে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে৷
আজ রোববার ১ মার্চ বিকাল ৪ ঘটিকায় খেলাফত মজলিস কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্দ্যেগে বিক্ষোভ সমাবেশ কমলগঞ্জ উপজেলা খেলাফত মজলিস সভাপতি মুফতি শামসুল ইসলাম লিয়াকত এর সভাপত্বিতে ও সেক্রেটারি মাওলানা ইকবাল হুসাইন কয়ছর এর পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা নুরুল মুত্তাকীন জুনাইদ।
দিল্লিতে মুসলমানদের উপর উগ্রবাদী হিন্দুদের নির্মম হত্যাযজ্ঞ বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কে অতি দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহবান জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন,ভারতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করে পরিকল্পিত মুসলিম গণহত্যা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায়না। অবিলম্বে ভারতের দিল্লীতে চলমান মুসলিম গণহত্যা বন্ধ করতে হবে।বর্বরোচিত এই মুসলিম গণহত্যা বন্ধে বর্তমান মোদি সরকার ব্যর্থ হলে এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, মুজিব বর্ষ উদযাপনে নামে মুসলিম গণহত্যার খলনায়ক ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কে বাংলাদেশে আনার ষড়যন্ত্র করা হলে স্বাধীনতা প্রেমিক শান্তিপ্রিয় জনতা কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।যে কোন মূল্যে বাংলাদেশে মোদির আগমন প্রতিহত করতে দেশের জনগণ প্রস্তুত রয়েছে। বিক্ষোভ মিছিলটি ভানুগাছ বাজার চৌমহনা থেকে ষ্টেশন ও ১০নং পয়েন্ট হয়ে আবার চৌমহনায় এসে সমাবেশের মধ্যদিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শেষ হয়।
উল্লেখ্য, ভারতে নতুন নাগরিকত্ব আইনে ভারতের প্রতিবেশী তিনটি দেশের সংখ্যালঘুদের হিন্দু, বৌদ্ধ সহ ৬টি ভিন্ন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের নাগরিকত্ব দেয়ার কথা বলা হলেও সেখানে মুসলমানদের নাগরিকত্ব না দেয়ার কথা বলা হয়। এরপরই মূলত নতুন আইনের প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হওয়া বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত মানুষ নিহত হয়েছে।
-এটি