মাহমুদুল হাসান
বিশেষ প্রতিনিধি>
কুড়িগ্রাম দেশের একেবারে দক্ষিণের প্রান্তিক একটি জেলা। ঢাকা থেকে যার দূরত্ব ৩৩৮ কিলোমিটার। বলা চলে আধুনিক সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত একটি জেলা। তবে অসুবিধার সব বাঁধা মাড়িয়ে মেধার আলো জ্বালিয়ে চলছে কুড়িগ্রামের ছেলে হাফেজ মুহাম্মাদ সালমান, পিতা সাইফুল ইসলাম।
কুড়িগ্রামের মারকাজুল কুরআন আল ইসলামি কাশিপুর- এর এই মেধাবী ছাত্র পিএইচপি কুরআনের আলো প্রতিযোগিতার বাছাই পর্বে ‘বর্ষসেরা-৩০’ এ স্থান করে নিয়েছে খুব দক্ষতার সাথেই। বরাবরের মতো এবারো কুড়িগ্রামের প্রান্তিক এলাকার দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মারকাজুল কুরআন আল ইসলামি কাশিপুর ফুলবাড়ি- এর ছাত্ররা মেধার পরিচয় দিয়েছে।
থানা জেলা বিভাগ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় মেধা তালিকার শীর্ষে রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি। ঢাকার বাহিরের কোন প্রতিষ্ঠান ধারাবাহিক ভালো ফলাফল করা বাস্তবেই চ্যালেঞ্জিংয়ের বিষয়।
মাদরাসার সহপরিচালক ও হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ মুহা. শহিদুল ইসলামের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিকতা এবং পরিচালক জনাব মুহা. ফেরদাউস সহ সকল শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও পরিশ্রমে প্রতিবছর অত্র মাদরাসাটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছে।
২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মাদরাসাটি ধারাবাহিক ঈর্ষণীয় ফলাফল করে আসছে। বর্তমানে ১৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এছাড়াও দিনাজপুর, চিরিরবন্দরের মথুরাপুর গ্রামে অত্র প্রতিষ্ঠানের শাখা রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ মাওলানা ইমরান হুসাইন হাবিবী বলেন, মাদরাসার হিফজ বিভাগ সরাসরি পরিচালিত হয় আন্তর্জাতিক হাফেজ আব্দুল হক-এর নির্দেশাক্রমে। তিনি বছরে কয়েকবার সশরীরে উপস্থিত হন।
তিনি আরো বলেন- প্রতি বছর উপরোক্ত দুই মাদরাসার শিক্ষক প্রশিক্ষন হয়ে থাকে। বয়স্ক শিক্ষাসহ কুরআন কেন্দ্রীক বহুমুখি খেদমত করে আসছে।
-এএ