আওয়ার ইসলাম: মুসলিম বিশ্বের চলমান সংকট নিরসন এবং আগামী দিনের কর্মকৌশল নির্ধারণে বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে শুরু হয়েছে ইসলামি সম্মেলন। এই সম্মেলনে ৫২ দেশের অন্তত চার শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।
চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে পাকিস্তানের অংশ নেয়ার কথা থাকলেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সম্মেলনে অংশ নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মাদের নিকট এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশও করেন তিনি।
এ সম্মেলনে ইমরান খানের অংশ না নেয়ায় সৌদি আরবকে দুষছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান। তার দাবি, সৌদি আরবের চাপের মুখে পড়েই কুয়ালালামপুর সম্মেলনে অংশ নেননি পাক-প্রধানমন্ত্রী।
এ ব্যাপারে এরদোগান বলেন, সৌদি আরবে কর্মরত পাকিস্তানি শ্রমিকদের দেশে ফেরত পাঠানোর হুমকি দেয়া হয়েছে ইমরান খানকে। একইসঙ্গে সৌদি কতৃপক্ষ তাকে এটাও জানায়, তিনি যদি এই সম্মেলনে অংশ নেন তাহলে পাকিস্তানিদের স্থলে বাঙালি শ্রমিকদের নিয়োগ দেয়া হবে। এছাড়া, ঋণের টাকাও ফেরত নেয়ার ব্যাপারে পাক-প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করা হয়। এরদোগান অভিযোগ করছেন, মূলত এ কারণেই ইমরান খান কুয়ালালামপুর সম্মেলনে যোগ দেননি।
শুক্রবার তুর্কি গণমাধ্যম ডেইলি সাবাহকে সাক্ষাৎকারে এরদোগান জানান, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়া এই সম্মেলনে যোগ দিলে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত হতেন।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতিটি সময় যেকোনো ইস্যুতে কে কাজ করবে আর কে করবে না। এই বিষয়ে তাদের নাক গলানো পুরনো ঘটনা।
বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া ইসলামফোবিয়াসহ বিভিন্ন অপপ্রচার রোধে মুসলিম দেশগুলোকে নিয়ে আয়োজিত ‘কুয়ালালামপুর সামিট-২০১৯ আজ শনিবার শেষ হবার কথা রয়েছে।
ডেইলি পাকিস্তান অবলম্বনে বেলায়েত হুসাইন
-এএ