বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ।। ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৯ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া ১১ দলের কর্মসূচিতে নাম ব্যবহার করায় খেলাফত আন্দোলনের প্রতিবাদ ব্রিটেনের সৈকতে ডুবে প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি মা ও মেয়ে ‘থ্রি জিরো লোন সার্ভিস’: সুদমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, সতর্কতা ৮ জেলায় চাকরি ফিরে পেলেন ‘টিপকাণ্ডের’ সেই পুলিশ কনস্টেবল অবশেষে অপসারণ হচ্ছে রাষ্ট্রপতি, এটা সুসংবাদ: আসিফ মাহমুদ   নিবন্ধন পেল অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা পোস্ট চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ রোধে কঠোর ব্যবস্থা চান শায়খ আহমাদুল্লাহ বিগত দিনে সিলেটের সঙ্গে চরম বৈষম্য করা হয়েছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি

ধ্বংসের তিন দশক পর পুননির্মিত মসজিদ, হাজারো মানুষের ঢল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রায় তিন দশক আগে বিধ্বস্ত হওয়া বসনিয়ার আলাদজা নামের বিখ্যাত মসজিদটি ইবাদতের জন্যও উন্মুক্ত করা হলো। বসনিয়ার ফোকা'তে মসজিদটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মুসলিম অংশগ্রহণ করেন। বসনিয়ার মুসলিমরা মসজিদটি পুননির্মাণ করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

ঐতিহাসিক মসজিদটি পুনরায় নির্মাণ করতে কয়েক বছর সময় লেগেছে। মসজিদটির পুনর্নির্মাণ কাজের অর্থায়ন করে তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশ। মসজিদটি পুনঃনির্মাণে ২ মিলিয়ন ইউরো খরচ হয়েছে।

মসজিদটি ধ্বংসের আগে সর্বশেষ ইমাম ছিলেন হুসেইন ইফেন্দি কার্বো। তিনি দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে অপেক্ষায় ছিলেন, আবার নির্মিত হবে আলাদজা মসজিদ। এ মসজিদে নামাজ পড়বে মুমিন মুসলমান।

মসজিদের ইমাম বলেন, গত ১৯ বছর ধরে আমি নিয়মিত এ মসজিদ পরিদর্শনে গিয়েছি। ১৯৭৩ সাল থেকে আমি এ মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ দিনগুলোর মধ্যে একটি ছিল সেদিন, যেদিন আমি মসজিদটি ধ্বংসের খবর শুনেছিলাম। আজ আমার আত্মা সবচেয়ে বেশি প্রশান্ত। আমি খুবই আনন্দিত, আলাদজা মসজিদ এ অঞ্চলের সব মুসলমানদের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হবে।

ষোড়শ শতাব্দীর এ মসজিদটিকে অটোম্যান স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম নিদর্শনগুলোর একটি হিসেবে মনে করা হতো। মসজিদটি ১৫৫০ সালের দিকে তৈরি করা হয়- ধ্বংস করার আগ পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান ছিল মসজিদটির।

মসজিদটির আদি প্রস্তর-শৈলীর যেসব অংশ বিস্ফোরণের পর পরিত্যক্ত করে মাটি চাপা দেয়া হয়েছিল, সেই অংশগুলোও আবার মাটির নিচ থেকে বের করে আনা হয়েছে। বর্তমান মসজিদটির সামনে পুরাতন মসজিদটির ধ্বংসাবশেষ সামগ্রীগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত চলা বসনিয়া যুদ্ধের সময় বোমার আঘাতে মসজিদটি ধ্বংস হয়। মসজিদটি জাতিগত বিরোধের জেরে বসনিয়ার সার্ব সেনাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ওই যুদ্ধের শুরুতেই ধ্বংস করা হয়। সে সময় শুধু ফোকা শহরেই ১২টি মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছিল।

জাতিগত-ভাবে যারা সার্ব নয়, এমন জনগোষ্ঠীর মানুষদের গণহত্যার কারণে বসনিয়া যুদ্ধের সময় কুখ্যাতি লাভ করেছিল ফোকা। মসজিদে বিস্ফোরক স্থাপন করার অপরাধে ২০১৮ সালে সাবেক একজন বসনিয় সার্ব সেনার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ