মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির। বরিশাল ৫ ও ঝালকাঠি ২ আসনে সংসদ সদস্যপ্রার্থী।
চারপাশে নির্বাচনী হাওয়া বইছে। ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরাও সে আমেজে শরীক। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। মিছিল মিটিং আর বিক্ষোভ সমাবেশে কাটছে সময়।
তবে নির্বাচন ও দাওয়াতি কর্মসূচি দলের নায়েবে আমিরের বেশি কিছু বক্তব্য সমালোচিত হয়েছে। আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে সম্প্রতি হজ থেকে ফেরার পর বরিশাল বিমানবন্দরে বিশাল আকারের শোডাউন নিয়েও।
ইসলামী আন্দোলন গত সিটি নির্বাচনগুলোতে শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে সামনে এসেছে। এ নিয়ে মিডিয়ায় ভিন্ন রকম বিশ্লেষণে উঠে এসেছে দলটি। আগামী জাতীয় নির্বাচনে কেমন করবে ইসলামী আন্দোলন।
এসব বিষয়ে বিশিষ্ট আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আওয়ার ইসলামের নির্বাহী সম্পাদক রোকন রাইয়ান।
আওয়ার ইসলাম: আপনি দুটি সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে, প্রস্তুতি কেমন নিচ্ছেন?
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তে দুটি আসনে নির্বাচনের জন্য আমার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। আমরা সব সময় দলীয় সিদ্ধান্তের ওপরই কাজ করি। সে অনুযায়ী দল যখন যেভাবে যা ভালো মনে করে সে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
আলহামদুলিল্লাহ, প্রস্তুতি বেশ ভালো চলছে। দলীয় লোকজন, কর্মী বাহিনী মাঠে আছেন তারা সব রকম কাজে আছেন। আমার এলাকায় আমি সর্বদা জনগণের পাশে থাকি এখনো আছি।
আওয়ার ইসলাম: সম্প্রতি হজ থেকে ফেরার পর ব্যাপক শোডাউন করেছে আপনাদের কর্মীরা, যা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে সর্বত্র? বিষয়টি কিভাবে দেখছেন?
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম: ফেসবুক বা অনলাইনের বিষয়গুলো আমি তেমন একটা জানতে পারি না। এগুলোর বাইরেই আমাকে থাকতে হয়। তবে শোডাউন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে শুনলাম। কিন্তু এ নিয়ে তো আলোচনার কিছু দেখি না।
বিদেশ থেকে কেউ আসার পর সাধারণত সব মানুষকেই কেউ না কেউ রিসিভ করে থাকে। সেটা একজন ব্যক্তির মাধ্যমে হলেও। এটা তো দোষের কিছু নয়।
আমি দীর্ঘ দিন দেশের বাইরে ছিলাম। আমাকেও সে একজà¦