মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে আর কখনও রাতের ভোট হবে না: আলী রীয়াজ এবার খামেনির পক্ষে ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ! কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড়

ভারতে মুঘল ইতিহাস বাদ দিয়ে হিন্দু শাসকদের কথা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতের মহারাষ্ট্রের স্কুল পাঠ্যবই থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাস। বিষয়টি নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা।

ভারতের একটি বড় অংশে প্রায় তিনশ বছর রাজত্ব করেছিল মুঘল সাম্রাজ্য। মুঘল সুলতানদের ইতিহাস সরিয়ে দিয়ে সেখানে নিয়ে আসা হচ্ছে হিন্দু শাসক ছত্রপতি শিবাজীর প্রতিষ্ঠিত সাম্রাজ্যের ইতিহাস।

ভারতের বেশীরভাগ সৌধ মুঘল আমলে তৈরি হয়েছিল। প্রায় তিনশো বছর রাজত্ব করা মুঘল সাম্রাজ্য দেশের ইতিহাসের একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু মহারাষ্ট্রের অনেক স্কুল পড়ুয়াদের কাছে সেই ইতিহাসের কোনও গুরুত্ব নেই।

তাদের সিলেবাস থেকে পুরোপুরি বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে মুঘল আমলের ইতিহাস। পরিবর্তে ইতিহাস বইগুলিতে ছত্রপতি শিবাজীকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সপ্তদশ শতকে শিবাজী মুঘলদের পরাজিত করে মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই রাজত্ব মহারাষ্ট্র্রের সীমা ছাড়িয়ে আরও বেশ কিছু অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিল।

কিন্তু ইতিহাস পাঠ্যপুস্তক কমিটি বলছে, এই সিদ্ধান্তের পেছনে ধর্মীয় বা রাজনৈতিক কোনও কারণ নেই।

কমিটির চেয়ারম্যান সদানন্দ মোরে জানাচ্ছিলেন, "আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। তাই মারাঠা ইতিহাসের সাথে তাদের সরাসরি যোগ আছে। সমস্যাটা হল বইয়ে পৃষ্ঠা সংখ্যা সীমিত। তাই দুটো ইতিহাসই রাখা কঠিন, আবার মুঘল ইতিহাস রেখে মারাঠা ইতিহাস তো সরিয়ে দেওয়া যায় না!"

দক্ষিণ-পন্থী রাজনৈতিক দলগুলি মুঘলদের 'মুসলিম আক্রমণকারী' হিসাবে চিহ্নিত করে। তাদের কথায়, হিন্দুদের ওপরে অনেক অত্যাচার করেছে মুঘলরা।

বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই বক্তব্য আরও জোরালো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু মুঘল শাসক ইসলামের প্রসারের চেষ্টা করেছেন ঠিকই কিন্তু বাকিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু রাজত্বগুলির উপরে শান্তিতেই কর্তৃত্ব করেছেন।

এদের কথায়, মুঘল সম্রাটদের শাসন ক্ষমতা বা দক্ষতার নিরিখেই তাদের বিচার করা উচিত, ধর্মের ওপর ভিত্তি করে নয়


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ