সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
এবার খামেনির পক্ষে ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ! কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড় জামায়াত-শিবির কখনো ইসলামি দল হতে পারে না: সিরাত সম্মেলনে বক্তারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন রিকশা প্রতীকের আরও তিন প্রার্থী

সিয়েরা লিওনে টানাবর্ষণে ভূমিধস, নিহত ৩১২

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

অাওয়ার ইসলাম : সিয়েরা লিওনের রাজধানী ফ্রিটাউনের কাছে বৃষ্টির পর ভূমিধসের ঘটনায় ৩১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এখনো অনেকে আটকা পড়ে আছেন। দুই হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের পর সোমবার ফ্রিটাউনের রিজেন্ট এলাকার ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এর ফলে সৃষ্ট বন্যায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এ ধসের কারণে অনেক ঘর সম্পূর্ণরূপে কাদায় ঢেকে গেছে। দেশটির কর্মকর্তারা বলছেন, মৃতদেহ উদ্ধারে কাজ চলছে।

রেডক্রসের মুখপাত্র প্যাট্রিক মোসাকুইউ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১২ জনে। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

রাজধানী ফ্রিটাউনের দুটি হাসপাতালের মর্গে মরদেহ রাখা হয়েছে। সেখানে স্বজনেরা ভিড় করছেন।ফ্রিটাউনের কনাউট হাসপাতালের মর্গের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মেদ সিন্নাহ এএফপিকে বলেন, এখন পর্যন্ত তারা ১৮০ জনের মরদেহ গ্রহণ করেছেন। এদের অধিকাংশই শিশু। তবে যে হারে মরদেহ আসছে, তাতে হাসপাতালের মর্গে আর মরদেহ রাখা সম্ভব নয়।

সিন্নাহ আরও বলেন, অনেক মরদেহ বেসরকারি একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের পর সোমবার ফ্রিটাউনের রিজেন্ট এলাকার পাহাড়ধসের ঘটনায় এ হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ধসের কারণে অনেক ঘর সম্পূর্ণরূপে কাদায় ঢেকে গেছে। দেশটির কর্মকর্তারা বলছেন, এখনই হতাহতের সঠিক সংখ্যা বলা সম্ভব নয়। মৃতদেহ উদ্ধারে কাজ চলছে।

বিবিসির একজন সংবাদদাতা বলছেন, সোমবার বৃষ্টির পর ভুমিধসের সময় অনেক লোক ঘুমিয়ে ছিলেন।দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিক্টর বোকারি ফো বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘সম্ভবত শত শত মৃতদেহ মাটির নিচে পড়ে আছে। এ দুর্যোগ এতটাই গুরুতর যে আমি নিজেই ভেঙে পড়েছি। আমরা ওই এলাকা ঘিরে রেখে দুর্গত মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছি।’

টুইটারে পোস্ট করা ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, ফ্রিটাউনের ওই এলাকা রাস্তা কর্দমাক্ত। অনেক জায়গায় কোমর পর্যন্ত কাদা-জলে মানুষকে আটকে থাকতে দেখা গেছে।

-এজেড


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ