দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন করতে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এলপিজি আমদানিতে বিশেষ আর্থিক সুবিধা মিলবে এবং একে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের ফলে আমদানিকারকরা আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে বাকিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ পাবেন।
রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে জারি করা এক সার্কুলারে জানানো হয়েছে, এলপিজি আমদানিকারকরা এখন থেকে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন বা ৯ মাস মেয়াদে বাকিতে আমদানির ঋণ সুবিধা পাবেন। সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা এলপিজি দেশে এনে সিলিন্ডারে ভরা এবং বাজারজাত করতে দীর্ঘ সময় লাগে। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় আমদানিকারকদের নগদ অর্থের সংকট দূর করতে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আমদানিকারকরা কেবল সরবরাহকারীর কাছ থেকেই নয়, বরং বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকেও ‘বায়ার্স ক্রেডিট’ বা ক্রেতা ঋণ নিতে পারবেন। এছাড়া দেশের ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও গ্রহণ করা যাবে। এর আগে গ