মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
এবার দারুল উলুম দেওবন্দ নিয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র! কেয়ামত পর্যন্তও বাংলাদেশে ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ হবে না: শায়খে চরমোনাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও সিইসির বৈঠক আজ জমিয়ত সিলেট মহানগরের মাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত আগস্টের ৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১১৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩২, জরুরি অবস্থা জারি বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা, কোথাও ভারী বর্ষণের আভাস এক বসায় পুরো কুরআন মুখস্থ শুনিয়ে রেকর্ড গড়লেন মিসরের ফার্মাসিস্ট শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার দাবি জানাল বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে’

‘কওমি মাদরাসা নিয়ে অপপ্রচার যেমন রুখতে হবে, অপরাধীও ছাড় পাবে না’


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

কওমি মাদরাসা ও এর শিক্ষকদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান অপপ্রচার এবং প্রকৃত অপরাধ—উভয় ক্ষেত্রেই সমান গুরুত্ব দিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক ও বিশ্লেষক মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ।

শনিবার (২৫ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, কওমি মাদরাসার শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত নেতিবাচক প্রচারণার কারণে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা ব্যক্তিগত বিরোধ বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিরোধ মেটানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

তিনি লেখেন, কোনো মাদরাসার জমিজমা নিয়ে বিরোধ বা কোনো শিক্ষকের সঙ্গে ব্যক্তিগত শত্রুতা থাকলে কেউ সহজেই চারিত্রিক অভিযোগ তুলে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে পারে। পরে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলেও এরই মধ্যে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সমাজের যে ক্ষতি হবে, তা আর সহজে পূরণ করা সম্ভব হবে না।

এ কারণে এ ধরনের অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের ওপর গুরুত্বারোপ করেন শরীফ মুহাম্মদ। একই সঙ্গে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে সামগ্রিকভাবে নেতিবাচক জনমত বা ‘মব’ তৈরির যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, সেটি বিভিন্নভাবে অপব্যবহারের আশঙ্কা তৈরি করছে। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আল্লাহর কাছে সবার হেফাজত কামনা করেন।

তবে একই সঙ্গে প্রকৃত অপরাধ আড়াল করার বিরুদ্ধেও সতর্ক করেন এই লেখক ও বিশ্লেষক। তিনি বলেন, যদি সত্যিই কোনো মাদরাসার শিক্ষক অসদাচরণ বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকেন এবং তার মাধ্যমে কারও ওপর জুলুম সংঘটিত হয়, তাহলে অবশ্যই তার সুষ্ঠু বিচার হতে হবে।

শরীফ মুহাম্মদ বলেন, মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার সুযোগে যেন কোনো অসৎ চরিত্রের ব্যক্তি বা যৌন নিপীড়নের মতো অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও সমানভাবে নজর রাখতে হবে।

পোস্টের শেষাংশে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মিথ্যা অপপ্রচার প্রতিরোধ এবং প্রকৃত অপরাধের ন্যায়বিচার নিশ্চিত—দুই বিষয়ের প্রতিই সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ