বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১ রমজান ১৪৪৭


ইনকিলাবের জরিপ, দ্বিগুণ ব্যবধানে এগিয়ে বিএনপি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আর মাত্র দুদিন পরই জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে কোন দল বা জোট ক্ষমতায় আসতে পারে সেটা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে নানা জরিপ। অনেকে ভবিষদ্বাণীও করছেন। শেষ মুহূর্তে এসে দৈনিক ইনকিলাব একটি জরিপ প্রকাশ করেছে। সেই জরিপে জামায়াত জোটের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ ব্যবধানে বিএনপি ও তাদের মিত্রদের এগিয়ে থাকতে দেখা গেছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত জরিপটির খুঁটিনাটি পত্রিকাটির সৌজন্যে নিচে তুলে ধরা হলো-

৩০০ আসনের মধ্যে সারাদেশের ৫৩টি সংসদীয় আসন ও ্আটটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি ১১ দিন এ জরিপ পরিচালনা করা হয়। জরিপে ৯৬৬৯ জন্য অংশগ্রহণকারী ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬১ শতাংশ (৫৮৬০ জন ৬০.৬০%) ভোট পেয়ে বিএনপি বিজয়ী হতে পারে এমন মতামত দিয়েছেন। অন্যদিকে ২৯ শতাংশ (২৮১২ জন ২৯.০৮%) ভোট জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট পাবে বলে মতামত দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, গণভোটে প্রায় ৮০ শতাংশ (৭৯.৫২%) ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন বলে মনস্থির করেছেন বলে জরিপে অংশ নেয়া ভোটাররা জানিয়েছেন। এ জরিপে ৭৩৯১ জন (৭৬.৪৪%) পুরুষ ও ২২৭৮ জন (২৩.৪৪%) নারী অংশগ্রহণ করেন। জরিপের অংশ নেয়া ২৩২১ জন তথা মোট জরিপে অংশ নেয়াদের মধ্যে (২৪.০০%) এবার প্রথম ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন।

ইনকিলাবের এই জরিপে দেখা যায় এক বছরের ব্যবধানে বিএনপির সামান্য জনসমর্থন কমেছে; অন্যদিকে জামায়াতের জনসমর্থন বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর ইনকিলাবে ৬০৩৬ জনের মতামত নিয়ে একটি জরিপ প্রকাশ করা হয়। ওই জরিপে বিএনপির পক্ষে মতামত দেন ৬১.০৮% ভোটার। এক বছরের ব্যবধানে সেটা ০.৪৮% কমে ৬০.৬০% হয়ে গেছে। অন্যদিকে ওই জরিপে জামায়াতের পক্ষে মতামত দিয়েছিল ১৪.৮২% ভোটার। এবার এনসিপিসহ কয়েকটি দল জামায়াতের সঙ্গে জোট করায় এক বছরের মাথায় সেই সমর্থন ১৪.২৬% (প্রায় দ্বিগুণ) বেড়ে ২৯.০৮% শতাংশ হয়েছে।

প্রতিটি তুলনামূলক গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দৈনিক ইনকিলাব জরিপ পরিচালনা করে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। জরিপে সারাদেশের ৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও সারাদেশের ৫৩টি সংসদীয় বিশেষ পদ্ধতিতে আসন বেঁছে নেয়া হয়েছিল। জরিপ পর্যালোচনা করে দেখা যায় ৫৩ সংসদীয় আসনের মধ্যে ৪৩ আসনে জনসমর্থনে বিএনপি এগিয়ে থাকলেও ১০ সংসদীয় আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ভোটারদের মতামতে এগিয়ে রয়েছে। ৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বিএনপি ৫টি ও জামায়াত ৩টিতে ভোটের মতামতে এগিয়ে রয়েছে। বিএনপি ও জামায়াত জোটের ভোটার সমর্থন খুব কাছাকাছি (হাড্ডাহাড্ডি লড়াই) এমন আসনও রয়েছে কয়েকটি। এমনকি ৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভোটাররা তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান মতামত দিলেও দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা মনে করেন নির্বাচনের পর ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। ভোট দেয়ার ক্ষেত্রেও ভোটারদের মধ্যে বিএনপি ৫টি ও জামায়াত জোট ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগিয়ে রয়েছে।

জরিপ পরিচালনা করা হয় মূলত ঢাকা বিভাগের ১১টি, খুলনা বিভাগে ৬টি, রংপুর বিভাগে ৯টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪টি, রাজশাহী বিভাগে ৬টি, সিলেট বিভাগে ২টি ও বরিশাল বিভাগে ৪টি সংসদীয় আসনে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জরিপ পরিচালনা করা হয়। জরিপে অংশগ্রহণকারী ভোটারদের বয়সের ক্ষেত্রে চার গ্রুপে ভাগ করা হয়। ইনকিলাবের সারাদেশের প্রতিনিধিরা এই জরিপ পরিচালনা করেন। জরিপে মতপথ নির্বিশেষে ‘যেখানে যাকে পাওয়া গেছে’ তার মতামত নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। জরিপের তথ্য সংগ্রহের পর সত্যতা যাচাইয়ে প্রতিটি আসনে জরিপে অংশ নেয়া ভোটারদের কয়েকজনকে ফোন করে মতামত দিয়েছেন কি-না জানার চেষ্টা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে পজেটিভ জবাব পাওয়া গেছে। প্রায় ১৩ কোটি (১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯) ভোটারের মধ্যে মাত্র ১০ হাজারেরও কম (৯৬৬৯ জন) ভোটারদের মতামত কার্যত ভোটের প্রকৃত চিত্র উঠে আসে না। তার পরও জরিপের নিয়মনীতি মেনেই এ জরিপ পরিচালিত হয়েছে।

এবারের জরিপে ৭২টি আসন টার্গেট করা হলেও ৫৩ আসন ও ৮ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলাফল এ জরিপে তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে। জরিপে অংশ নিয়েছেন মোট ৯৬৬৯ জন ভোটার। এদের মধ্যে ২২৭৮ জন (২৩.৫৫%) নারী ভোটার ও ৭৩৯১ জন (৭৬.৪৪%) পুরুষ ভোটার অংশগ্রহণ করেন। জরিপে অংশগহণকারী ভোটারের মধ্যে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী ভোটারের সংখ্যা ৩৫৭২ জন (৩৬.৯৪%); ৩১ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ভোটারের সংখ্যা ৩০০২ জন (৩১.০৩%); ৪৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ভোটার ২১৩৮ জন (২২.১১%) এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ভোটারের সংখ্যা ৭১০ জন (৭.৩৪%)।

জরিপে মূলত কাকে ভোট দেবেন, কোন দল ক্ষমতায় যেতে পারে, কে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন, কেন দল ক্ষমতায় যাবে ও যে প্রধানমন্ত্রী হবেন কেন তিনি হবেন বলে মনে করেন, গণভোট নিয়ে কী ভাবছেন, নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে কি-না এসব প্রশ্ন করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের মতো করে এসব প্রশ্নের জবাব দেন এবং কেউ কেউ নিজেরাই ফরম পূরণ করেন। ৯৬৬৯ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে জরিপে অংশ নেয়া ভোটারদের মধ্যে ২৭০৪ জন (২৭.৯৩%) শিক্ষার্থ ছিলেন; এরা সবাই জেন-জি’র সদস্য। এছাড়া ১৯৯৭ জন (২০.৬৫%) চাকরিজীবী, ২৪৪৭ জন (২৫.৩০%) ব্যবসায়ী, ৯২৭ জন (৯.৫৮%) শতাংশ গৃহিণী, ৬১১ জন (৬.৫৫%) কৃষক ও ৮২৭ জন (৮.৫৫%) শ্রমিক জরিপে অংশগ্রহণ করেন।

জরিপে অংশগ্রহণকারী ভোটারদের মধ্যে নতুন ভোটার ২৩২১ জন। জরিপে অংশ নেয়া মোট ভোটারের ২৪% ভোটার এবার প্রথম ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। তবে এবার ভোট দিতে যাবেন না জরিপে অংশ নেয়া মোট ভোটারের ৫.২৩%, যা জরিপে অংশ নেয়া ভোটারের মধ্যে ৫০৬ জন।

এবারই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিন গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ইনকিলাব জরিপে অংশ নেয়া মোট ভোটারের মধ্যে ৭৯.৫২% ভোটার (৭৬৮৯ জন) গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। আর গণভোটে ‘না’ ভোট দেবেন জানিয়েছেন জরিপে অংশ নেয়া মোট ভোটারের ১৫.৪৫% ভোটার, যা জরিপে অংশ নেয়া ভোটারের মধ্যে ১৪৯৪ জন। তবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোট ভোট দেবেন সে ব্যাপারে মতামত জানাননি ৫.০৩ শতাংশ ভোটার।

জরিপে অংশ নেয়া ৯৬৬৯ জন ভোটারকেই প্রশ্ন করা হয় এবারের নির্বাচনে কোন দল জিতবে? জবাবে প্রায় ৬১ শতাংশ তথা ৫৮৬০ জন (৬০.৬০%) মনে করেন এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হবে। তারা সবাই বিএনপিকে ভোট দেবেন বলে জানান। নির্বাচনে জামায়াত জোটকে ভোট দেবেন জানান ২৮১২ জন, যা জরিপে অংশ নেয়া মোট ভোটের (২৯.০৮%)। এছাড়া ইসলামী আন্দোলনকে ২১২ জন (২.১৯%), জাতীয় পার্টি ১৩৭ জন (১.৪১%), অন্যান্য দল ৩৮২ জন (৩.৯৫%) ভোট দেবেন বলে জানান। এবারের নির্বাচনে কোন দল কেন জিততে পারে বলে মনে করেন এমন প্রশ্নের জবাবে উত্তরদাতাদের মধ্যে ২৪৯৯ জন (২৫.৮৪%) মনে করেন বিএনপি জিতবে। এরা সবাই মনে করেন দীর্ঘ দেড় যুগ ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন করে জনপ্রিয় হয়ে উঠার কারণে বিএনপি বিজয়ী হবে। বড় রাজনৈতিক দল হওয়ায় বিএনপি জিতবে মত দেন ১২৬৪ জন (১৩.০৭%) ভোটার। বিএনপি দেশ পরিচালনায় অভিজ্ঞ এজন্য জিতবে মত দেন ৭২৩ জন, যা জরিপে অংশ নেয়া মোট ভোটারের (৭.৪৭%)। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার দল হওয়ায় বিএনপি জিতবে এমন মতামত দেন ৫০০ জন; যা জরিপে অংশ নেয়া মোট ভোটারের ৫.১৭%)। ১৮ বছর জুলুম নির্যাতন সহ্য করা, মাঠের আন্দোলনে সক্রিয় থাকাসহ অন্যান্য কারণে বিএনপি জিতবে মতামত দেন ৬৫ জন; যা জরিপে অংশ নেয়া মোট ভোটারের (০.৬৭%)। পক্ষান্তরে এবারের নির্বাচনে জামায়াত জোট জিতবে এমন মতামত দেন ১২৭৬ জন। এটা জরিপে অংশ নেয়া মোট ভোটারের মধ্যে (১৩.১৯%)। ১২৮৯ জন (১৩.৩৩%) মনে করেন সততা ও ইনসাফভিক্তিক রাজনীতির কারণে জামায়াত এবারের নির্বাচনে বিজয়ী হবে। মাত্র ৪ জন (০.০৪%) মনে করেন ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে ইসলামী চেতনার রাজনীতির কারণে জামায়াত বিজয়ী হবে।

এবারের নির্বাচন নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হবে কি-না প্রশ্ন করা হলে ৮২৬০ জন (৮৫.৪২%) মনে করেন নিরপেক্ষ ভোট হবে। তবে ৯৮৮ জন ((১০.২১%) মনে করেন এবারের নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না। এবারের নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী কে হতে পারেন এমন প্রশ্নের জবাবে ৫৮৭০ জন (৬০.৭০%) মনে করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হবেন। এর বিপরীতে ৩১৬৩ জন (৩২.৭২%) মনে করেন প্রধানমন্ত্রী হবেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এছাড়া নাহিদ ইসলাম ১৫৮ জন (১.৬৩%), মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম ২০২ জন (২.০৮%), জি এম কাদের ৭৮ জন (০.৮০%), অন্য কেউ ২২৫ জন (২.৩২%) প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন বলে মতামত দিয়েছেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান কেন প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ১৯৮০ জন (২০.৪৭%) মনে করেন বিএনপির প্রধান হিসেবে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। বিদেশ থেকে দেশে ফিরে তিনি পরিচ্ছন্ন রাজনীতির ধারা সূচনা করেছেন। ১৭৪৩ জন (১৮.০২%) মনে করেন জনপ্রিয় এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক হওয়ায় তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। ৬৭৭ জন (৯.০০%) মনে করেন জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা; আর খালেদা জিয়া তিনবারের সফল রাষ্ট্রনায়ক। নিজের যোগ্যতা এবং মা-বাবার ইমেজের কারণে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রীর হওয়ার পথ সহজ করবে। অন্যদিকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ব্যাপারেও অনেকেই অভিমত দিয়েছেন। ১৬৫৮ জন তথা জরিপে অংশ নেয়া মোট ভোটারের মধ্যে (১৭.১৪%) মনে করেন সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি হওয়ায় ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। ৭৭৭ জন (৮.০৩%) মনে করেন জনপ্রিয়তার কারণে ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। আর ১০ জন মনে করেন ভালো মানুষ হওয়ায় জামায়াতের আমির প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। অন্যদের মধ্যে ২৪ জন মনে করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। নারী ভোটারের সংখ্যা বেশি হলেও জরিপে নারীদের অনেকেই মতামত দিতে রাজি হননি। সে কারণে জরিপে নারী ভোটারের চেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করেছেন পুরুষ ভোটার।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ