বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর মুআসসাসা ইলমিয়্যাহ বাংলাদেশের উদ্যোগে বিশেষ ইলমি সেমিনার অনুষ্ঠিত ছত্রিশে লেখা নাম  নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদল-শিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৫ জুলাই বিজয়ে কওমী ক্যানভাস: এক নজরে আলেম সমাজের অবদান মারকাযুল ফাতাওয়ায় চলছে প্রাচীন আরবি পাণ্ডুলিপি গবেষণার বিশেষ কর্মশালা আমদানির অনুমতি ২ লাখ ১৮ হাজার টন, কাঁচামরিচ এল ২৬ টন   শিক্ষা সহায়তায় মহারাষ্ট্র জমিয়তের বড় উদ্যোগ, বৃত্তি পাচ্ছে অমুসলিমরাও গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ব্রাডফোর্ডে বিকেএমের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আস-সুন্নাহ কেন ব্যক্তিগত সহায়তা করে না, ব্যাখ্যা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

রংপুরে ধর্ষণের ২০ বছর পর ২ জনের যাবজ্জীবন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দীর্ঘ দুই দশক পর রংপুরের মিঠাপুকুরের এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবনুাল-১ এই দণ্ডাদেশ দেয়।

রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবনুালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রফিক হাসনাইন জানান, ২০০২ সালের ১৪ মে মিঠাপুকুরের মুরাদপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের কিশোরী কন্যা পার্শ্ববর্তী বড় বোনের বাড়িতে গিয়ে রাত ৮ টার সময় পাশের টিউবওয়েলের পানি আনতে যায়। এ সময় রফিকুল ইসলাম ও শাহ আলম নামের দুই তরুণ তাকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে পাশের একটি জমিতে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা না নেয়ায় আদালতে মামলা দায়ের করে কিশোরীর পিতা আব্দুল আজিজ। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৩০ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই খলিলুর রহমান দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়।

মামলায় ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবনুাল-১ আদালতের বিচারক মোস্তফা কামাল রফিকুল ইসলাম ও শাহ আলমকে দোষী সাব্যস্ত করে অপহরণের জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড এবং সংঘবদ্ধ ধর্ষণের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন। এ ছাড়াও আদালত উভয় দণ্ড এক সাথে পালন করার আদেশ দেন।

পিপি আরও বলেন, দীর্ঘ দুই যুগ পরে হলেও কিশোরীকে অপহরণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় এই রায়ে সন্তুষ্ট পরিবারের লোকজন। পরে আদালতের কাঠগড়া থেকে দণ্ডপ্রাপ্তদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ