সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড় জামায়াত-শিবির কখনো ইসলামি দল হতে পারে না: সিরাত সম্মেলনে বক্তারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন রিকশা প্রতীকের আরও তিন প্রার্থী এলপিজি আমদানি নিয়ে বড় সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

পুরুষকে দীনদার বানাতে নারীর যে ভূমিকা জরুরি: আশরাফ আলী থানভী রহ.

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

অনুবাদ: নোমান আব্দুল্লাহ

স্ত্রীরা সাহস করলে স্বামীদের অনেক খারাপ অভ্যাস খুব দ্রুত দূর করা সম্ভব হয়ে থাকে। আর কখনো যদি দূর করা সম্ভব না-ও হয়ে থাকে, তখন পূর্বের খারাপের পরিমাণ নিশ্চিতভাবে কমে যায়।

কারণ পুরুষরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীদের কারণেই আর্থিক গুনাহ যেমন সুদ-ঘুষ ইত্যাদিতে লিপ্ত হয়ে থাকে। যদি তারা জামাকাপড় ও গয়নাগাটির আবদার কমিয়ে দেয় এবং বলে দেয় যে, তাদের কারণে যেনো কোনো হারাম কাজে না লিপ্ত হয়- তাহলে অনেককিছুর সমাধান হয়ে যায়। আমি সত্যি বলছি, কিছু নারী পুরুষের চেয়েও অনেক দৃঢ় হয়ে থাকে।

এজন্য যে নারীরা বলে, আমরা অপারগ, স্বামী আমাদের যা এনে দেয় আমরা তাই খাই, এটি তাদের বাহানামাত্র। তারা যদি জামাকাপড় ও গয়নাগাটি ইত্যাদির অহেতুক আবদার না করে, তাহলে অনেক পুরুষ এমনিতেই হারাম উপার্জন থেকে হাত গুটিয়ে তওবা করে নিবে।

এরপরও যদি কোনো পুরুষ হারাম উপার্জন করে আর নারীরা যদি বলে যে, হারাম উপার্জন করলে পরকালে এই হারাম ভক্ষণ করানোর দায় স্বামীকে নিতে হবে, তাহলে দেখা যাবে খুব দ্রুতই স্বামীদের সংশোধন হয়ে যাবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ