শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

ইন্দোনেশিয়ায় ইশারা ভাষায় হাফেজ হচ্ছে তারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা শহরের উপকণ্ঠে ‘দারুল আশুম’ মাদরাসাটি অবস্থিত। প্রতিষ্ঠা হয়েছে ২০১৯ সালে।

অন্যান্য মাদরাসার মতো এই মাদরাসা থেকে কখনো উচ্চস্বরে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের আওয়াজ ভেসে আসে না। বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য মাদরাসাটি বিশেষায়িত। এখানকার শিক্ষার্থীরা আরবি ইশারা ভাষার মাধ্যমে পবিত্র কুরআনের পাঠ শেখে, হিফজ সম্পন্ন করে।

সংবাদমাধ্যম ‘মুম্বাই উর্দু টাইমস’ সূত্রে জানা যায়, ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম মন্ত্রাণালয়ের তথ্যানুযায়ী, বোর্ডিং সিস্টেমে লেখাপড়া করা ইন্দোনেশিয়ার শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি আবশ্যক বিষয়।

প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী দেশের প্রায় ২৭ হাজার মাদরাসায় আবাসিক শিক্ষার্থী। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার ইশারা ভাষার ধর্মীয় এই প্রতিষ্ঠানটি পৃথিবীর সেসব বিশেষ প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত, যারা বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষা দিচ্ছে।

‘দারুল আশুম’-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আবু কাহফি বলেন, ‘একটি অদৃশ্য চেতনাবোধ থেকে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করি। যখন জানতে পারলাম ইন্দোনেশিয়া জুড়ে অসংখ্য বধির শিশু রয়েছে, যারা ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানে না। তখনই আমি প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষায়িত এই মাদরাসা করতে উদ্বুদ্ধ হই।’

৪৮ বছর বয়সী আবু কাহফির সাথে ২০১৯ সালে কয়েকজন শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুর পরিচয় হয়। তিনি বুঝতে পারেন, ইসলাম সম্পর্কে এসব শিশু একেবারেই বেখবর। অনিশ্চিত শঙ্কা নিয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করতে তিনি স্বপ্নচোখে এগিয়ে যান। এখন তার প্রতিষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় ১১৫ জন বাক, শ্রবণ ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশু রয়েছে। তাদের অনেকে পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করার পথে। সূত্র: মুম্বাই উর্দু টাইমস।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ