শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ।। ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রুপসায় ইসলামী আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম ‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’ দলীয়করণ ও রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধে ঐকমত্যের আহ্বান নেজামে ইসলাম পার্টির সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ধর্মমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রাজনৈতিক দল হিসেবে গণসংহতি আন্দোলনকে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী নিবন্ধন না দেয়ার অভিযোগে এই রুল জারি করা হয়।

গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকির করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এই রুল জারি করেন।

প্রধান নির্বাচন কনিশনারকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান জোনায়েদ সাকীর আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

তিনি বলেন, গণসংহতি আন্দোলনকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দেয়ার বিষয়ে হাইকোর্টের রায় ও নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

তিনি আরো বলেন, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সময়ে ঘটা বিষয়টি নিয়ে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হলেও এখন নতুন সিইসি আসায় আদালত অবমাননার রুলটি কাজী হাবিবুল আউয়ালের বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে।

‘গণসংহতি আন্দোলন’ রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন চেয়ে ২০১৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এক পত্রের মাধ্যমে নিবন্ধন করা যাবে না মর্মে তাদের অবহিত করে।

পরবর্তীতে গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষে দলটির প্রধান সমন্বয়ক মো. জোনায়েদ সাকি হাইকোর্টে রিট করেন। এই রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল রুল মঞ্জুর করেন রায় দেন। সেই রায় ও আদেশের অনুলিপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নিবন্ধন প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়।

এরপর গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে রায় ও আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি যথাসময়ে নির্বাচন কমিশনকে দাখিল করা হয় এবং আদালত থেকেও নিয়ম অনুযায়ী রায় ও আদেশের অনুলিপি প্রেরণ করা হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ