বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ।। ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
 ‘একটি প্রাণবন্ত সংসদ চাই, আলোচনায় সব সমস্যার সমাধান’ বগুড়া ও শেরপুরের নির্বাচন ঘিরে সব বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে চান্স পেলেন তিন বাংলাদেশি কওমি তরুণ রমজানের শেষ দশকে যেসব আমলে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত সংসদের প্রথম অধিবেশন উপলক্ষ্যে রাজধানীতে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ  মুহতামিম পদে নিয়োগ দিচ্ছে বালিয়া মাদরাসা জাকাত বিষয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে কাজের আগ্রহকে সাধুবাদ সংসদের প্রথম অধিবেশন উপলক্ষ্যে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা ডিএমপির ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় ববি হাজ্জাজের আসনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আমিরে মজলিস

করোনায় আরো ৩৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৯৩৬৯

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৩৬৯ জনের।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৬২৭ জনে। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৯০১ জনে। শনাক্তের হার ২১ দশমিক ০৭ শতাংশ।

শনিবার দেশে করোনায় ২৯ জনের মৃত্যু হয়। ওই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৩৪৫ জনের। শনাক্তের হার ছিল ২১ দশমিক ৫০ শতাংশ।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ