রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি মুনীরুল ইসলাম  জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ১৭ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ, পাঁচ বছরে হাফেজ হলেন ফিনল্যান্ডের তরুণ

দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে মসজিদে আকসায় আযান দেওয়ার স্বপ্ন পূরণ করলেন ফরাসী যুবক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: স্বপ্ন পূরণে ফিলিস্তিনের পবিত্র মসজিদুল আকসায় প্রথম বার ভ্রমণে এসেছেন এক ফরাসি মুসলিম। মুসলিমদের তৃতীয় সম্মানিত স্থানে আজান দেওয়া অনেক দিনের স্বপ্ন মাহদি মুগিস উদ্দিন নামের ফরাসি এ তরুণের। অবশেষে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তিনি মসজিদুল আঙিনায় আজান দেন।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম আল কাসতালকে আজান দিয়ে স্বপ্ন পূরণের অনুভূতি প্রকাশ করে মুগিস বলেন, ‘পবিত্র মসজিদুল আকসায় প্রথম বার আজান দেওয়ার অনুভূতি ছিল গভীর ভালোবাসায় পূর্ণ। এরপর আমি যখনই আজান দিয়েছি তখনই আমার মনে প্রথম বার আজান দেওয়ার অনুভূতি তৈরি হয়েছে।’

মুগিস উদ্দিন বলেন, ‘এবারই প্রথম আমি পবিত্র ভূমি ফিলিস্তিন ভ্রমণে আসি। এখানে এসে স্থানীয়দের আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছি। এখানের পরিবেশ অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও আধ্যাত্মিকতায় পরিপূর্ণ। করোনা মহামারিতে পু'রো বিশ্ব বিপর্য'স্ত। এমন সময় এক সপ্তাহের জন্য আমরা এখানে ভ্রমণে এসেছি।’

পবিত্র এ মসজিদের মুয়াজ্জিন হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়ে মুগিস বলেন, ‘আমার আকাঙ্ক্ষা পবিত্র এ মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করা। এ দায়িত্ব আমি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করতে চাই। তাছাড়া পবিত্র মসজিদে আকসায় বার বার আজান দেওয়ার সুযোগ পাওয়ার আশা করি। পুনরায় আজানের সুযোগ পেলে আমি অত্যন্ত আনন্দচিত্তে তা পালন করব। আমি বিশ্বাস করি, মহান আল্লাহ আমার জন্য তা সহজ করবনে।’

এর আগে ২০১৪ সালে মুগিস উদ্দিন প্রথম বার ফ্রান্সের প্যারিস শহরের গ্র্যান্ড মসজিদে আজান দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘সুবিশাল মসজিদে জুমার দিন আজান দেওয়ার অনুভূতি ছিল খুবই আবেগঘন ও ভালোবাসায় ভরপুর। আজ পবিত্র মসজিদুল আকসায় প্রথম বার আজান দিতে পেরে আগের সেই স্মৃতি ও অনুভূতি আমার মনে পড়ছে।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ