শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত আগস্টের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠনের দাবি গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আন্দোলন আরও জোরদার হবে: আমিরে মজলিস হেজবুত তাওহীদ নিষিদ্ধের দাবিতে দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা হেফাজতের বিএনপি সরকার ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতালির নেপলসে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কড়া বার্তা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৩৭১ চারদিনের সফরে ঢাকায় আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম ‘নৈতিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে যুবকদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে’

জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ায় নবীজি সা.-এর জীবনী শীর্ষক মুহাযারা অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ায় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনী শীর্ষক মুহাযারা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ  (১২-ই রবিউল আউয়াল )রোজ বুধবার জামিয়ার দারুল হাদীস মিলনায়তনে এ মুহাযারা অনুষ্টিত হয়।

এতে জামিয়া প্রধান শায়খুল হাদীস আল্লামা মুফতি আব্দুল হালিম বুখারি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিষ্পাপ অস্বীকারকারীদের  বিভিন্ন আপত্তির জবাব দেন৷

তিনি বলেন, যারা হুজুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিষ্পাপ স্বীকার করে না তাদের দলীল হলো সুরা নাসরের ৩য় আয়াতের অংশ واستغفره অর্থাৎ হে নবী! আপনি ক্ষমা চান৷ তাদের দাবী হলো, নবী করিম (সাঃ) যদি নিষ্পাপ হতো তাহলে তাকে ক্ষমা চাওয়ার জন্য কেন নির্দেশ দেয়া হয়েছে?

উত্তরে তিনি৩টি যৌক্তিক জবাব  তুলে ধরেছেন-

১) (জনৈক ব্যাক্তির প্রশ্নের উত্তরে) আপনি পরের অংশতে কি আছে সেটাও বলুন! সেখানে আছে انه كان توابا অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা অধিক তওবাকারী৷ তো! আপনার দাবী মতে আল্লাহ তাআলাও নিষ্পাপ নয়, তারও গুণাহ আছে৷ যদি নিষ্পাপ হতো তাহলে তাওবা কেন করে?

সে বলল, এখানে توابا এর অন্য অর্থ উদ্দেশ্য৷ তিনি বলেন, তাহলে এখানে واستغفره এরও অন্য অর্থ উদ্দেশ্য৷

২) واستغفره এর মূলধাতু হলো غفر তার অর্থ হলো ঢাকনা৷ যুদ্ধারা মাথায় আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য লোহার টুপি পরিধান করে, তাকে আরবীতে غفر বলা হয়।  তাহলে তখন তার অর্থ হবে, হে আল্লাহ! আমাকে ঢাকনা দাও৷
আমাদের দেশে যে পাত্রে ভেজা সুপারি রাখা হয় সে পাত্রেও ঢাকনা দেয়া হয়; আর যে পাত্রে বিরিয়ানী রাখা হয় সে পাত্রেও ঢাকনা দেয়া হয়৷ কিন্তু উভয়টার উদ্দেশ্য ভিন্ন।  সুপারির পাত্রে ঢাকনা দেয়ার কারণ হল, ভেজা সুপারির গন্ধ যেন বাহিরে না যায়৷ আর বিরানীর পাত্রে ঢাকনা দেয়ার কারণ হল, বাহিরের কোন ময়লা যেন ভেতরে না পড়ে৷

আমাদের কলব হলো ভেজা সুপারির পাত্রের মত গন্ধ, আমরা তাওবা করি; আল্লাহ তাআলা আমাদের গন্ধযুক্ত কলবে ঢাকনা দিয়ে যেন ভেতরের গন্ধ বাইরে না নেয়৷ আর মহানবী (সাঃ) এর কলব হল বিরানীর পাত্রের মত খুশবু, তিনি তাওবা করার কারণ হলো আল্লাহ যেন তার কলবে ঢাকনা দিয়ে বাইরের ময়লা থেকে রক্ষা করে৷

৩)  কোন মুসাফির সফরে বের হলে দুটা জিনিস বেশি ভেবে থাকে৷ একটা- নিজের জন্য সফরে কি পরিমাণ সামান নিবে? দ্বীতিয় হলো- পরিবারের জন্য কি রেখে যাবে৷

তদ্রূপ সূরা নাসর নাযিল হওয়ার পর নবীজি (সাঃ) বেশিদিন জীবিত ছিলেন না। তিনি উম্মতকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন। যেহেতু তিনি চলে যাবেন সেহেতু আল্লাহ বলেছেন فسبح بحمد ربك واستغفره অর্থাৎ নিজের জন্য বেশি বেশি তসবিহ পাঠ করো, উম্মতের জন্য এস্তেগফার করো, ক্ষমা চাও৷

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ