শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
আওয়ামী দোসরদের গ্রেফতার করলে পুরস্কার পাবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা ফের রিয়াদে হুথি হামলা, ড্রোন ভূপাতিতের দাবি সৌদির বিগত সরকারের টিকা না দেওয়ার খেসারত দিতে হচ্ছে আমাদের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জান্নাতের নেয়ামতের অপূর্ব বর্ণনা দিলেন মসজিদে নববীর খতিব জাতিসংঘ অধিবেশন শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিকের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ কওমি মাদরাসার মানোন্নয়ন ও অপপ্রচার মোকাবিলায় ঢাকায় মুহতামিম সম্মেলন সোমবার উচ্চাকাঙ্ক্ষা মুমিনের ঈমানি চেতনারই অংশ: মসজিদে হারামের খতিব রশীদ আহমদ ফেরদৌসের স্মরণে খেলাফত মজলিসের আলোচনা সভা

ইসলামে দাস-দাসীর বিধান: বর্বরতা নয়, কল্যাণের অপূর্ব সমন্বয়!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জাহিদ জাওয়াদ।।

মুক্তমনার সাইনবোর্ড ব্যবহারকারী সেক্যুলার ও নাস্তিক গোষ্ঠী ইসলামের দাস-দাসীর বিধান নিয়ে নানা অবান্তর প্রশ্ন তুলে। এই বিধানকে তারা বর্বরতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে দাবী করে থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দাস-দাসীর ব্যাপারে ইসলাম যে নির্দেশনা দিয়েছে তাতেই নিহিত রয়েছে ব্যক্তি সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কল্যাণ।

মানুষ দাস গণ্য হয় কখন? যুদ্ধের ময়দানে মুসলমানদের হাতে ধৃত কাফের শত্রুরা দাস হিসেবে গণ্য হয়। এখন এই শত্রুসেনাদের কি করা হবে এটা নিয়ে অনেক প্রস্তাব থাকতে পারে।

১. এই শত্রুসেনাদের সবাইকে যুদ্ধ শেষে ছেড়ে দেয়া যেতে পারে। ২. সকল বন্দীকে তাৎক্ষণিক হত্যা করে ফেলা হবে। ৩. সকল বন্দীকে জেলখানায় আবদ্ধ করে রাখা হবে।

কিন্ত এই তিনটি প্রস্তাবনার কোনোটিই কারো জন্য এত উপকারী নয়। সবাইকে ছেড়ে দিলে যে শত্রু পক্ষ শক্তিশালী হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আবার এই হাজার হাজার যুদ্ধবন্দীকে ব্যক্তিগত ও সামাজিক সব ধরনের উন্নতি থেকে বঞ্চিত করে কারা প্রকোষ্ঠে রেখে দেওয়া বা সবাইকে হত্যা করে ফেলাতেও ফায়দা নেই।

ইসলামী সমাধানের যৌক্তিকতা: এ সকল কারণে ইসলাম এই হুকুম দিয়েছে যে, যত শত্রুসেনা বন্দী হবে তাদেরকে নিজ দলের যোদ্ধাদের মাঝে ভাগ করে দিতে হবে। সব যোদ্ধার ভাগে যদি দুই-একজন করে যুদ্ধবন্দী পড়ে তাহলে রাষ্ট্র এক বিশাল ব্যয় ও ব্যবস্থাপনার ঝামেলা থেকে বেঁচে যাবে।

গোলাম এর মালিক যেহেতু গোলামের কাছ থেকে সেবা গ্রহণ করবে তাই গোলামের সমস্ত খরচ মালিককেই বহন করতে হবে। মালিকের জন্য এটা খুব কঠিন কিছু হবে না। কারণ তখন সে ভাববে কর্মচারী রাখলে তো আমার বেতন দিতে হতোই, আমি সেটা এখন গোলামকে দিচ্ছি।
দ্বিতীয়তঃ গোলাম যেহেতু স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারবে তাই তারমধ্যে বন্দিত্বের অনুভূতি থাকবে না। ফলে মালিকের প্রতি তার ওই ক্রোধ জন্মাবে না যেটি বন্দিশালায় থাকলে জন্মাতো।

আর যদি মালিক ভালো হয় এবং গোলামের প্রতি দয়া পরবশ হয় তাহলে তো সে অল্পদিনের মধ্যেই গোলামের হৃদয়ের মনিকোঠায় জায়গা করে নিবে। ফলশ্রুতিতে গোলাম মনিবের জন্য তার জীবনকে উৎসর্গ করতেও কুণ্ঠাবোধ করবে না। ইতিহাসে এর ভুরি ভুরি নজির রয়েছে।

তৃতীয়ত: ইসলামের এই বিধানে গোলামের ব্যক্তিগত সামাজিক জ্ঞানগত উৎকর্ষ অর্জনের সুযোগ রয়েছে। সে চাইলে গোলাম অবস্থায়ও উচ্চতর পড়ালেখা করার সুযোগ গ্রহণ করতে পারে যদি মালি