শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮


মাদকবিরোধী সচেতনতায় সোচ্চার ইমাম-খতিবরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মোস্তফা ওয়াদুদ
নিউজরুম এডিটর

সর্বনাশা নেশার চোরাস্রোতে তলিয়ে যেতে বসেছে আমাদের তরুণ সমাজ। মাদকাসক্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিন্তিত হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা, কিন্তু সমাধানের রাস্তা খুঁজে পাচ্ছেন না। মাদক পাচার এবং মাদকাসক্তির হার কমানোর জন্য বৃহৎ আকারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। সরকারকে সম্ভাব্য সব রকমের সহায়তা দিচ্ছে বিদেশী সংস্থাগুলো। তবে এ পাপের আগ্রাসন ঠেকানোর জন্য সবার সম্মিলিত উদ্যোগ থাকার পরও কেনো এখন দেশে ৭০ থেকে ৭৫ লাখ লোক মাদকাসক্ত। ৬৮ হাজার কারাবন্দির মধ্যে ৩৭ হাজারই মাদকাসক্তির অভিযোগে অভিযুক্ত। এ প্রশ্ন এখন ঘুরে ফিরে বিরাজ করছে সচেতন মহলে।

যেখানে সমাজ থেকে মাদকের মূল উৎপাটন অভিযানে একমত সবাই। সবাই বলছে-অভিযানের পাশাপাশি প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা। সেখানে কেনো এতো মাদকের ছড়াছড়ি? কেনো এতো মাদকের হাঁট? অথচ সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে যথেষ্ট সোচ্চার রয়েছে। এতে করে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরো সচেতন, দক্ষ ও উন্নয়নশীল হিসেবে গড়ে উঠা দরকার ছিলো। কিন্তু হচ্ছে না কেনো? কীসের অভাব তাহলে?

মাদক ব্যবসায় নায়িকা-গায়িকা, নির্মাতা, অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে নানা পেশাজীবী, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, ব্যবসায়ী, ছাত্র-ছাত্রীরা জড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু মাদকের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইন কম হয়নি। দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের থেকে নিয়ে সেলিব্রেটিদের মাধ্যমেও মাদকের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইন করেছে সরকার। একসময় মাদকের বিরুদ্ধে আয়োজন করা হতো কনসার্ট। তবুও মাদকের আসর কমেনি। কমেনি মাদকাসক্ত ব্যক্তির সংখ্যা। বরং বেড়েছে বহুগুণ। গবেষণায় দেখা যায়, মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনকারী লোকটি মাদক গিলেই সচেতন করতে যাচ্ছে। আবার সচেতন করা শেষেও মাদকই গিলছে। দিনশেষে তারাই বেশি আসক্ত হয়ে পড়েছে মাদকে। এমন প্রতিবেদন বেরিয়ে এসেছে দেশের প্রথম সারির পত্রিকাগুলোতে।

সরকারি এক গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করা হতো, তারাই এখন মাদকের প্রধান যোগানদাতা। সাম্প্রতিককালের পরিমনি, নজরুল রাজ, চলচ্ছিত্র শিল্পী একাসহ একাধিক সেলিব্রেটিই এখন মাদকের জালে আবদ্ধ। নিজেদের ঘরে পরিচালনা করেতেন মাদকের আসর। এতে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছেন নিজেরা। সঙ্গে নিজেদের পরিবার বন্ধু-বান্ধব এমনকি পাড়াপড়শিদেরও মাদকের জালে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন।

এদিকে মাদকের বিরুদ্ধে আগেও সোচ্চার ছিলেন মসজিদের ইমাম-খতীবরা। এখনো সোচ্চার আছেন তারা। দেশের একাধিক মসজিদের খতীবদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটাই জানà¦