সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

রোগ প্রতিরোধে আমাদের সচেতনতা; ইসলাম কী বলে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শেখ খালিদ সাইফুল্লাহ।।

সচেতনতা এমন একটি শব্দ যার অনেক মর্মার্থ রয়েছে৷সাধারণত সচেতনতা বা Awareness /Consciousness বলতে মনের চেতনা,জাগ্রতা অথবা অধিকার সম্বন্ধে সতর্কতা বুঝায়।এর ব্যবহার মূলতঃ চেতনশীল মস্তিষ্কের সাথে সম্পর্কযুক্ত। মানব জীবনে চলার পথে সর্বত্রই তার প্রয়োগ রয়েছে।বিশেষত সুস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সচেতনতা রোগপ্রতিরোধ হিসেবে কার্য্যকরী ভুমিকা পালন করে৷ সাস্থ্যের ক্ষেত্রে সচেতনতা বলতে মানুষের দৈনন্দিন কাজ-কর্মে ও প্রকৃতিতে এমন কিছু অভ্যাস,আচরণ বা পদ্ধতির অনুসরণ করা বুঝায় যার দ্বারা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা যায় এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।

সুস্বাস্থ্য,এটি মানুষের পার্থিব উন্নতির জন্য যেমন প্রয়োজন, তেমনি কল্যাণময় পরকালের পাথেয় জোগাড়ে আবশ্যক। এজন্য নবীয়ে রহমত সুস্বাস্থ্য কে আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ামত বা অনুগ্রহ বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং তার যথাযথ কদর্য বা মুল্যায়ন করার প্রতি উৎসাহ প্রদান করেছন ৷ আর সুস্থ থাকার প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো রোগমুক্ত থাকা।

শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে হলে প্রথমেই রোগের উতস চিহ্নিত করতে হবে৷ এবং সে অনুযায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷ রোগ সৃষ্টির ব্যাপারে বিজ্ঞানের কথা হলো- পরিবেশগত কারণেই মানুষের রোগের সৃষ্টি।আর ইসলামে বলে- মানুষ যখন অন্যায় ও পাপাচারে লিপ্ত হয়, তখন আল্লাহ তায়ালা তার কারণে রোগ দেন, যাতে সে সংশোধন ও পাপাচারমুক্ত হয় এবং সে ব্যাপারে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করে চলে।
এ ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলা বলেন- পরকালের কঠিন শাস্তির আগে দুনিয়াতে আমি তাদের কিছু শাস্তি দিয়ে থাকি, যেন তারা অনুতপ্ত হয় এবং পাপ কাজ থেকে বিরত থাকে।

সুতরাং মানবদেহে রোগের সঞ্চালন, যেমন পাপাচার-অশ্লীলতার কারণে হয়, তেমনি পরিবেশগত কারণেও হয়ে থাকে। তবে উভয় ক্ষেত্রে রোগ-জীবাণু নিজস্ব ক্ষমতায় মানব দেহে বিস্তার কিংবা সংক্রমণ করতে পারে না বরং এর সাথে আল্লাহু হুকম সম্পর্কযুক্ত রয়েছে৷ অর্থাৎ রোগ-ব্যাধির উতস যাই হউক,কিন্তু শরীর সুস্থ ও অসুস্থ আল্লাহর ইচ্ছায় হয়৷

একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে, যেমন-যারা গাছ তলায়,রেলস্টেশনে, বাসটার্মিনালে কিংবা কুড়েঘরে দূষিত বায়ুকণায় নোংরা পরিবেশে রোগমুক্ত জীবনযাপন করে, অপরদিকে যারা মুক্তবাতাসে সুষ্ঠু পরিবেশে দূষণ মুক্ত বায়ুতে স্বাভাবিক জীবন যাপন করার পরও ওরা এত অসুস্থ হয় কেন? মনোরম পরিবেশে থাকার পরও তাদের রোগ-ব্যাধি আসে কোথা থেকে? নিশ্চয় শুধু পরিবেশের কারণে নয়!

মনকে সধা জাগ্রত রেখে সংজ্ঞাবহ রীতি-