মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ১ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রমজান ও নির্বাচন সামনে রেখে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিতের নির্দেশ অর্ধশতাধিক আসনে খেলাফত মজলিসের মনোনয়ন প্রত্যাহার হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে ইমামকে অনন্য সম্মান তারেক রহমানের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই : তারেক রহমান রমজানে একজন দক্ষ দাঈ হিসেবে গড়ে তোলার আয়োজন আস-সুন্নাহর ২৯ আসনে খেলাফত মজলিসের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিলেট-৩: মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে সমর্থন জানিয়ে সরে গেলেন তিন প্রার্থী যে কারণে একের পর এক খুন করেন সম্রাট

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা তুরুস্কের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: তুর্কি সশস্ত্র বাহিনী জাতির সুরক্ষা এবং নিরাপত্তায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

আজ বুধবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানায় তারা।

সেখানে বলা হয়েছে, সকল প্রতিষ্ঠান দেশ ও দেশের বাইরে বীরত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও বিপদের বিরুদ্ধে মহৎ জাতির (তুর্কি) ভালবাসা, বিশ্বাস এবং প্রার্থনায় তাদের অভিযান পরিচালনা করে থাকে তুর্কি সশস্ত্র বাহিনী। বিশেষ করে, ফেতুল্লার মতো সন্ত্রাসী সংগঠন (ফেতো), ওয়াইপিজি, পিকেকে ও আইএসআইএসের বিরুদ্ধে।

ফেতো এবং এর যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক নেতা ফেতুল্লাহ গুলেন তুরস্কে ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই একটি অভ্যুত্থান পরিচালনা করেছিল। সেটিতে তার বাহিনীর পরাজয় ঘটে। এ ঘটনায় ২৫১ জন শহীদ এবং প্রায় ২ হাজার ২০০ জন আহত হন।

আঙ্কারা অভিযোগ করেছিল যে, তুরস্কের প্রতিষ্ঠান বিশেষত সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিচার বিভাগে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার দীর্ঘকালীন প্রচারের পেছনে ফেতোর হাত রয়েছে।

তুরস্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউর তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসবাদী সংগঠন পিকেকে দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তুরস্কের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ প্রায় ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী তারা। আর ওয়াইপিজি হলো পিকেকের সিরিয়ান শাখা।

২০১৩ সালে তুরস্ক দায়েশ বা আইএসআইএসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণাকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে একটি হয়ে উঠে।

এরপর দেশটি একাধিকবার দায়েশ বা আইএসআইএস সন্ত্রাসীদের দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়েছে। বিভিন্ন সময় আইএসের কমপক্ষে ১০টি আত্মঘাতী বোমা হামলা, সাতটি বোমা হামলা এবং চারটি সশস্ত্র হামলায় ৩১৫ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন। জবাবে তুরস্ক অধিকতর আক্রমণ ঠেকাতে দেশ-বিদেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ