রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮


সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন চরমোনাই পীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দেশের চলমান অস্থিরতা ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মাদ রেজাউল করীম। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছেন তিনি।

লিখিত বক্তেব্যে তিনি বলেন, গোটা বিশ্ব যখন করোনা মহামারির ছোবলে বিপর্যস্ত, বাংলাদেশ যখন করোনা পরিস্থিতির প্রথম ধাপ অতিক্রম করে ২য় ধাপের হুমকি সামলাচ্ছে, দেশের সাধারণ মানুষ যখন রুটি-রুজি যোগাড়ে হিমশিম খাচ্ছে, দ্রব্যমূল্য যখন আকাশচুম্বি, যখন নাগরিক সমস্যা মোকাবেলায় দলমতের উর্ধে উঠে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশী, তখন দেশের একটি চিহ্নিত মহল কর্তৃক জনগণের মাঝে ঘৃণা ও বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রেক্ষিতে আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে আপনাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আজকের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে আন্তরিকতার পরিচয় দেওয়ায় শুরুতেই সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

আপনারা জানেন, ইসলাম চরিত্রগত ভাবেই শান্তিবাদী একটি ধর্ম। পবিত্র কুরআনে পরিষ্কার ভাবেই জোর করে কারো ওপরে ধর্ম চাপাতে নিষেধ করা হয়েছে। ফলে ইসলাম তার সাড়ে চৌদ্দশত বছরের ইতিহাসে কখনোই কোন জনপদে শক্তি প্রয়োগ করে ইসলামের কোন বিধান চাপিয়ে দেয় নাই। অনুরূপভাবে বাংলাদেশের সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখতে, কর্মমুখি করতে, সমাজে শান্তি, শৃংখলা রক্ষা করতে, সমাজের মানুষের মাঝে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও সৌজন্যবোধ চর্চায় উলামায়ে কেরাম শান্তিপূর্ণভাবে যুগ-যুগ ধরে নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
আপনারা বর্তমান পরিস্থিতি জানেন। একটি সুবিধাভোগী মহল সাধারণ মুসলিম জনতার উত্থাপিত একটি মতামতকে কেন্দ্র করে গোটা দেশে লম্ফ-ঝম্ফ, হুমকি-ধমকি দিয়ে বিশৃংখলা তৈরীর চেষ্টা করছে। তাদের পেছনে বাংলাদেশের অর্জন, উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বিনাশে কর্মরত কিছু দেশী-বিদেশী চক্রেরও ইন্ধন রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
স্বপ্নের পদ্মা সেতু প্রকল্পের ঢাকা কেন্দ্রের প্রবেশ দ্বারে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করে স্থাপিত হতে যাওয়া ভাস্কর্য নিয়ে একটি বিতর্ক তৈরী হয়েছে। ৫/৭টি মসজিদ মাদরাসার মিলন মোহনায়, দু’টি মসজিদের অবকাঠামো ভেঙ্গে এই পয়েন্টে ভাষ্কর্য স্থাপনের ফলে স্থানীয় ইমাম মুসল্লি ও তৌহিদী জনতা সেখানে ভাস্কর্যের বদলে বিকল্প কোন উত্তম পন্থায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণীয় করে রাখার দাবী জানিয়ে ছিলো।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ!
আপনারা জানেন, বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যমান আইন কানুন মেনেই তৌহিদী জনতা সমাবেশ করেছে এবং সেখানে শালীন ভাষাতেই যৌক্তিক ভাবে ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করা হয়েছà