বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ২ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রমজান ও নির্বাচন সামনে রেখে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিতের নির্দেশ অর্ধশতাধিক আসনে খেলাফত মজলিসের মনোনয়ন প্রত্যাহার হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে ইমামকে অনন্য সম্মান তারেক রহমানের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই : তারেক রহমান রমজানে একজন দক্ষ দাঈ হিসেবে গড়ে তোলার আয়োজন আস-সুন্নাহর ২৯ আসনে খেলাফত মজলিসের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিলেট-৩: মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে সমর্থন জানিয়ে সরে গেলেন তিন প্রার্থী যে কারণে একের পর এক খুন করেন সম্রাট

৮ বছর ধরে আমিরাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রি করছে ইসরায়েল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গেলো আট বছরের বেশি সময় ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে অত্যাধুনিক সামরিক অস্ত্র এবং সরঞ্জাম বিক্রি করে আসছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি গণমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনোথ এ তথ্য জানিয়েছে।

গণমাধ্যমটির প্রতিবেদক আলেক্স ফিশম্যান বলেন, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ইয়োসি কোহেন এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু তাদের মিনিস্ট্রি অব পাবলিক সিকিউরিটিকে আমিরাতের কাছে আরো অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সুযোগ দেয়া হচ্ছে আবুধাবিকে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে আমিরাতের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রি করছে ইসরায়েল। ওই বছরের আবুধাবির একটি হোটেল হত্যার শিকার হন হামাস নেতা মুহাম্মদ আল মাবহৌ। তারপর থেকেই তেল আবিব থেকে অস্ত্র ক্রয় শুরু করে আমিরাত।

ওই সময় দ্বিপক্ষীয় সংকট সমাধানে আমিরাত সফর করেন মোসাদ প্রধান তামির পেদ্রো। সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ইসরাইলকে অত্যাধুনিক অস্ত্র দেয়ার শর্ত দেয় আমিরাত। বলা হয় প্রতিবেদনে। তবে এক্ষেত্রে ইসরাইল উন্নত আক্রমণাত্মক অস্ত্র আমিরাতকে দিতো না। তাদের ভয় ছিল অত্যাধুনিক অস্ত্র আমিরাতের হাতে গেলে এগুলো ইসরাইলের প্রতিপক্ষের হাতে চলে যেতে পারে।

এদিকে, ইসরাইলের মার্কার নিউজপেপার একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে জুরিখে অবস্থিত ইসরাইলি সিকিউরিটি কোম্পানি এজেটি ইন্টারন্যাশনালের ব্যবসায়ী মাটি কোচাভির সঙ্গে সম্পর্ক বজার রেখে তাদের কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করতো আমিরাত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৭শ’ কোটি মার্কিন ডলারের লেনদেন করেছে আমিরাত। যার মধ্যে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন পর্যবেক্ষণ ক্যামেরা এবং উন্নত সেন্সর ছিল। ১৩ আগস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যেস্থতায় আমিরাত ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সম্মত হয়।

আবুধাবি বলেছে, পশ্চিম তীরে ইসরাইল সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করবে না-এ শর্তে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে একমত হয়েছে তারা। যদিও চুক্তির বিরোধীরা বলছেন, ইসরাইলের সঙ্গে বহু আগে থেকেই আমিরাতের স্বাভাবিক সম্পর্ক অব্যাহত। ইসরাইলের কর্মকর্তারা আমিরাত সফর করতেন। দেশটিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অংশ নিতেন। ওই সময় দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে আমিরাতের প্রাতিষ্ঠানিক কূটনেতিক বা অন্য কোনো সম্পর্ক ছিল।

যদিও ১৭ আগস্ট নেতানিয়াহু জানিয়েছে, সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা এখনো তাদের বিবেচনায় আছে। যা এ মুহূর্তে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ