আওয়ার ইসলাম: সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার চিন্তাভাবনা করছে তুরস্ক। ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাতে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ বিষয়ক এক চুক্তি ঘোষণার পর এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যিব এরদোগান।
গতকাল শুক্রবার তিনি সাংবাদিকদের জানান, আমিরাতের সঙ্গে সকল ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা হতে পারে। পাশাপাশি দেশটিতে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকেও প্রত্যাহার করা হতে পারে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এর আগে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আরব আমিরাতের এমন সিদ্ধান্ত পুরো মুসলিম সমাজের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করার সমান। তারা ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করার পর সেটিকে আবার আত্মত্যাগ করার মতো কাজ হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছে।
এতে আরো বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাত ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে যে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, সেটির ক্ষমা তার কখনো পাবে না।
এদিকে ইসরায়েলি গণমাধ্যমে বলা হয়, সমঝোতা চুক্তির ঘোষণার পর আমিরাতের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন যায়েদ আল নাহিয়ানকে ইসরায়েল সফরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্ট রিভেন রিভলিন।
এক টুইট বার্তায় রিভলিন বলেন, এই চুক্তি দুই দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। তিনি আশা করেন এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মাঝে পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা আরো দৃঢ় হবে।
আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ফের জয়ী হতে মরিয়া দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ট্রাম্পকে ফের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বানানোরা চেষ্টা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাতও। বলা হচ্ছে, এরই ফলশ্রুতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সম্মত হয় আবুধাবি।
-এটি