মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে কাল বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ইকরা হবিগঞ্জের ফল উৎসব উদযাপিত  বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু ৫৪ ফতুল্লায় বাড়িতে গ্যাস–সংযোগ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ শ্রমিক বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘কৃত্রিম জলাবদ্ধতা’ তৈরির সত্যতা পেলে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী অমিত ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার চিন্তা করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ৯৮ হাজার টাকায় হজযাত্রীদের পরিবহন করতে চায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

বিহারের বন্যায় নিহত ২১, ক্ষতিগ্রস্ত ৬৯ লক্ষ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে ভারতের বিহারে। নেপালে উত্‍পন্ন হওয়া বেশ কিছু নদীর জল হু হু করে ঢুকছে বিহারের উত্তরভাগে।

১৬টি জেলার মোট ১১৮৫টি পঞ্চায়েত এলাকা বন্যার জলে ডুবে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৬৯.০৩ লক্ষ লোক। গত ২৪ ঘণ্টায় সিয়ান জেলায় নতুন করে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে বিহারের বন্যায় মৃতের সংখ্যা মোট ২১ জন। একদিনে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় তিন লাখ। ক্ষতিগ্রস্ত পঞ্চায়েতের সংখ্যা ১১৬৫ থেকে ১১৮৫-তে পৌঁছেছে।

এর আগে দ্বারভাঙায় সাতজন, মুজফফরপুরে ছয়জন, পশ্চিম চম্পারণে চারজনের মৃত্যু হয়েছে বন্যায়। অন্যদিকে খাগরিয়া জেলায় বুড়ি গণ্ডক নদীর কাছে তাঁতি টোলা এলাকায় নদীর পাড় ভেঙেছে। বিহারের জলসম্পদ মন্ত্রী সঞ্জয় কুমার ঝা জানিয়েছেন, নদীর পাড় মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের অকারণ আতঙ্কিত হতে বারণ করেছেন তিনি।

দ্বারভাঙা, মুজফফরপুর, পশ্চিম চম্পারণ, সিয়ান ছাড়াও বিহারের সীতামারী, সুপাল, পূর্ব চম্পারণ, সেওহার, কৃষ্ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, মাধেপুরা, মধুবনি, সমস্তিপুর, এইসব জেলাও বন্যায় ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিহারে বন্যা কবলিত এলাকা থেকে দুর্গতদের উদ্ধারের জন্য এনডিআরএফ এবং রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দল মিলিয়ে মোট ৩৩টি টিম কাজ করছে।

ইতিমধ্যেই ৪.৮২ লক্ষ মানুষকে জলমগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২,২৩৯ জন মোট ৮টি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন।

প্রায় ১০ লক্ষ মানুষকে ১৪০২টি কমিউনিটি কিচেনে প্রতিদিন খাওয়ানো হচ্ছে। এ ছাড়াও অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, বয়স্ক মানুষ এবং বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দিয়েছেন উদ্ধারকারী কর্মীরা। খাবারের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি তাদের প্রাথমিক চিকিত্‍সা পরিষেবা দেওয়ারও যথা সম্ভব চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারী দলের কর্মীরা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ