রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-মাদক ব্যবসায়ীর গোলাগুলি, ৫ পুলিশসহ আহত ৮ শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গুম-নির্যাতন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ বাতিল চায় জমিয়ত নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ ভাইয়ের মৃত্যু, আহত ১ আমাকে হারাতে শত শত কোটি ব্যয় করা হয়েছে: শায়খে চরমোনাই ১০ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কতা ট্রাম্পের দাবি রোববার শান্তি-চুক্তি, ইরান বলছে ভিন্ন কথা আস-সুন্নাহ দাওয়াহ ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী ভারতের সামাজিক সম্প্রীতি হুমকির মুখে: জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ শ্রেষ্ঠ স্বামী হিসেবে তিনি আমার কাছে অমর হয়ে থাকবেন

লিবিয়ায় মুখোমুখি হতে যাচ্ছে তুরস্ক ও মিশর!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিশরীয় পার্লামেন্ট হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ দেশটির সামরিক বাহিনীকে লিবিয়ায় হস্তক্ষেপের অনুমোদন দিতে যাচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ক একটি গোপন সেশনের আয়োজন করতে যাচ্ছে দেশটি। সেখানে দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্য উপস্থিতি থাকবেন এবং এই সিদ্ধান্তের পক্ষে বিপক্ষে ভোট প্রদান করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের উপসচিব আল-সাইদ আল-শেরিফ।

তিনি বলেন, লিবিয়ায় তুর্কি আগ্রাসন থামাতেই এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে মিশরের সেনারা লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ করবে- এ বিষয়ে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের অধিকাংশ সদস্য রাজি হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, মিশরের জনগণ লিবিয়ার সঙ্গে আছে। তারা সেখানে তুর্কি হস্তক্ষেপ পছন্দ করছে না। কিন্তু সেখানে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে হলে আমাদের সবাইকে একতাবদ্ধ হতে হবে।

মিশরীয় হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের এই উপসচিব বলেন, আমাদের সংসদ সদস্যরাও এ সিদ্ধান্তের কোনো বিরোধিতা দেখাননি। সরকারের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন আছে। হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে উত্থাপিত প্রস্তাবে তাদের সমর্থন জরুরি। কারণ মিশর তার সংবিধান অমান্য করে সামরিক বাহিনীকে অন্য দেশে যুদ্ধের জন্য প্রেরণ করতে পারে না। সংবিধান অনুযায়ী সেই পদক্ষেপের জন্য সংসদ সদস্যদের সমর্থন প্রয়োজন।

লিবিয়ায় ক্ষমতার লড়াইয়ে দীর্ঘদিন গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল একোর্ড (জিএনএ) ও লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) লড়াই ও সংঘাত চালিয়ে আসছে। জিএনএকে সমর্থন করছে তুরস্ক। অন্যদিকে এলএনএকে সমর্থন দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ও রাশিয়া।

এদিকে, মিশরের এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। তারা মনে করছেন, মিশর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করলে লিবিয়ায় মুখোমুখি হবে দুটি মুসলিম দেশ, অর্থাৎ তুরস্ক ও মিশর। আর এ থেকে ফায়দা নিতে পারে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ