বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

লিবিয়ায় সামরিক আগ্রাসনের মোকাবেলায় এরদোগানের হুমকি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান বলেছেন, লিবিয়ায় অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য কাজ করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশর। তবে দেশটিতে স্থায়ী শান্তি আনয়নে তুরস্ক তাদের দায়িত্ব পালন করে যাবে। লিবিয়ার মানুষ সামরিক আগ্রাসন একাই মোকাবেলা করবে না।

লিবিয়ায় ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল একোর্ড (জিএনএ) ও খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) লড়াই করে আসছে। জাতিসংঘ সমর্থিত জিএনএ-কে সমর্থন দিচ্ছে তুরস্ক। আর বিদ্রোহী এলএনএ-কে সমর্থন দিচ্ছে আমিরাত ও মিশর। উভয় পক্ষই একে অপরকে নানাভাবে দোষারোপ করে আসছে।

গক শুক্রবার এক ভাষণে এরদোগান আমিরাত ও মিশরের কড়া সমালচনা করে বলেন, লিবিয়ায় মিশর এলএনএ-কে সমর্থন দিচ্ছে। সেখানে তাদের বিভিন্ন পদক্ষেপ অবৈধ। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত চোরাচালানের মাধ্যমে হাফতারকে অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে সাহায্য করে চলেছে। যা অগ্রহণযোগ্য। আমরা লিবিয়ায় একটি বৈধ সরকার নিয়ে কাজ করছি, যারা সামরিক অভ্যুত্থানের চেষ্টাকারীদের ঠেকিয়ে দেবে। আমিরাত ও মিশরের কারণে এই কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা জিএনএ’র সঙ্গে নতুন একটি চুক্তি করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। যা আগের শিরাত চুক্তির আওতায় করা হবে। তবে এতে নতুন কিছু বিষয় যুক্ত হতে যাচ্ছে।

শিরাত চুক্তির কারণেই জিএনএ-কে সামরিক সমর্থন দিতে সক্ষম হয়েছে তুরস্ক। মার্চে এই চুক্তি কার্যকরের পর থেকেই লিবিয়ায় চিত্রপট পাল্টে যেতে শুরু করে। একের পর এক অভিযান চালায় জিএনএ। এলএনএ’র দখলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ শহর ও এলাকা নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়। যার কারণে এলএনএ ও এর সমর্থনকারী দেশগুলো তুরস্কের ওপর ক্ষুব্ধ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ