বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

করোনায় মৃত বোনের লাশ নিয়ে ভাইয়ের আহাজারি, দাফনের কেউ নেই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪০ বছর বয়সী থেরেসা ফ্রান্জাসে শনিবার মারা যান। তার মৃত্যুর পরেও তাকে দাফন করতে পারছিলেন না বলে জানান থেরেসার ভাই। কারণ, কেউই করোনার রোগীর দাফনে এগিয়ে আসছিলেন না।

এমনকী হাসপাতালগুলিও বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছিল বলে অভিযোগ করেন ওই নারীর ভাই। যার জেরে গত ৩৬ ঘণ্টা ধরে মৃতবোনের দেহ আগলে বসেছিল ভাই। এমনই মর্মান্তিক পরিস্থিতির শিকার ইতালির নাপোলি এলাকার বাসিন্দা লুকা ফ্রা্ঞ্জে।

থেরেসার ভাই লুকা ফেসবুক লাইভে এসে বোনের লা’শ নিয়ে আহাজারি করে সেখানেই পুরো বিষয়টি জানান। লুকা ফেসবুকে এসে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার বোন তার বিছানায় মরে পড়ে আছে। আমি জানি না কী করতে হবে। আমি আমার বোনকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে পারছি না। সব প্রতিষ্ঠান আমাদেরকে ত্যাগ করেছে।

আমি প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কিন্তু কেউ আমাকে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেরেসা ফ্রাঞ্জেসা নামের ওই নারী মৃগীরোগে আক্রান্ত ছিলেন। তবে গত সপ্তাহ পর্যন্ত তিনি সুস্থ ছিলেন। এরপরই তার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।

গত শনিবার সন্ধ্যায় ইতালির তৃতীয় বৃহত্তম শহর নেপলসে নিজ বাড়িতে মা’রা যান তিনি। শহরটি ইতালির দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় শহরও বটে। লুকা জানান, তার বোনের করোনা টেস্ট করা হয়েছে মৃ’ত্যুর পর!

লুকার অভিযোগের এই ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করার পরপরই ছড়িয়ে পড়ে। তবে শুধু লুকা এবং তার বোনই নয়, আরো অনেকেই এমন পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছে ইতালির বেশ কয়েকটি স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম। শেষ পর্যন্ত প্রশাসনিক কর্মীরা করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধী পোশাক পরে এসে লুকা ফ্রা্ঞ্জের বোনের দেহ নিয়ে যায়। কয়েকজনের সাহায্য স্থানীয় একটি কবরখানা সেই দেহ কবর দেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ