মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম জুলাই সনদ সামনে রেখে সংবিধান পর্যালোচনা করবে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গুমের অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি নেজামে ইসলাম পার্টির গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ঢাকা ৫ আগস্ট বন্ধ থাকবে বন্ধ থাকবে আল-হাইআতুল উলয়া ও বেফাক কার্যালয় আগমীকাল বসুন্ধরা মাদরাসায় ইসলাহি বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-শিবির রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের শিকার মাওলানা আজহারীও ড্রোন হামলায় কাঁপল সৌদি আরবের নাজরান বিমানবন্দর

কাশ্মির নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করলেন সাবেক ‘র’ প্রধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কাশ্মির নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা অচলাবস্থার মধ্যে নতুন করে বোমা ফাঁটালেন ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর সাবেক প্রধান অমরজিত সিং দুলাত।

সূত্রমতে জানা যায়, সম্প্রতি দেশটির গণমাধ্যম ন্যাশনাল হেরাল্ডকে দেয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি কাশ্মির ও অঞ্চলটি নিয়ে ভারতের ভূমিকা সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য দেন।

অমরজিত সিং দুলাত বলেন, কাশ্মিরে যে কী হচ্ছে তা কেউই জানে না। এমনকি অঞ্চলটি নিয়ে নয়াদিল্লি কী ভাবছে তাও মানুষ জানে না। কাশ্মিরিরা নিজেদের ভবিষ্যত ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন। যদিও ভারতীয় সরকার দাবি করছে, সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

তিনি বলেন, এত কিছুর পরও কাশ্মিরিরা রাস্তায় না নামার অন্যতম কারণ হচ্ছে ভারতের মানুষের ওপর তাদের বিশ্বাস উঠে গেছে। তারা অনুভব করছেন, ভারতীয়রা কাশ্মিরকে হতাশ করেছে। তাছাড়া অঞ্চলটিতে প্রতি ৩০ জন বেসামরিক ব্যক্তির বিপরীতে একজন সেনা সদস্য নিয়োজিত আছে।

বিষয়টিকে কাশ্মিরের জনগণ বনাম ভারতের জনগণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে শুধু দিল্লির সঙ্গেই অঞ্চলটির সমস্যা লেগে ছিল। কিন্তু ভারতের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনো সমস্যা ছিল না। অথচ এখন কাশ্মিরিরা মনে করছেন, ভারতীয়রা তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্য করছে। বিষয়টা এমন হওয়ার কথা ছিল না। এর দায় কার?

বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক এই কর্মকর্তা বলেন, অঞ্চলটির বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ার পর সেখানকার মানুষদের যে দীর্ঘসময় বন্দি করে রাখা হবে তা আগে থেকেই অনুমান ছিল। এই সময়টা হয়তো আরো ৩ বছর দীর্ঘায়িত হতে পারে কিংবা কয়েক মাসও হতে পারে। পুরোটাই নির্ভর করছে আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর।

শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এভাবে কতদিন সরকার নিরাপত্তা বাহিনী দিয়ে সেখানে অবরোধ করে রাখতে পারবে তা বলা মুশকিল। কারণ এ আইন প্রয়োগ করা ছাড়া লোকজনকে আটকে রাখার আর কোনো উপায় সরকারের ছিল না। যখন আইনি কোনো উপায় আর থাকে না, তখনই এ আইনের আশ্রয় নেয় সরকার। শুধু পার্থক্য হচ্ছে আগে এ আইন জঙ্গিদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হতো, আর এখন সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে করা হচ্ছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ