মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
পর্দা নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের অধিকার কারো নেই: ইসলামী আন্দোলন সন্ধ্যার মধ্যে ৯ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা সরকার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় বিক্ষোভ মিছিল স্থগিত করল বিকেএম শিগগিরই ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন শুরু হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ হিসেবেই ভারতে প্রবেশ না করে ফিরে এসেছি’  সনদ নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাবে মুখ খুললেন ইফা ডিজি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী আদ্-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলেমের পদস্খলন: একটি সূক্ষ্ম অধ্যায় মহাখালী-তেজগাঁও সড়কে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অবরোধ হিফজুল কুরআনের শিক্ষার্থীদের জন্য রাবেতার নতুন আরবি কর্মসূচি চালু

যখন-তখন অ্যান্টিবায়োটিক মারাত্মক ক্ষতি!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: খুব সামান্য অসুস্থ হলেই আমরা আজকাল অ্যান্টিবায়োটিকের শরণাপন্ন হই। অথচ অ্যান্টিবায়োটিকের মারাত্মক ক্ষতির কথা অনেকেরই অজানা। গবেষকরা বলছেন, এর মাধ্যমে নিজের অজান্তেই আমরা ডেকে আনছি নিজেদের ভয়াবহ বিপদ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, যখন-তখন অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার এই প্রবণতাই মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে নিশ্চিত বিপদের দিকে। গবেষণার ফল দেখে শিউরে উঠেছেন বিজ্ঞানীরাও। বিশ্বজুড়ে তাই সচেতনতার ডাক দিয়েছেন অনেক চিকিৎসক ও চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের সংগঠন।

ভারতের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সুবর্ণ গোস্বামী বলছেন, এই অকারণ ও অত্যধিক অ্যান্টিবায়োটিকের কারণে মেদ তো বাড়ছেই, তার সঙ্গে শরীরে সুপারবাগসের উপস্থিতি সমস্যায় ফেলছে রোগী ও চিকিৎসককে। যখন-তখন ইচ্ছা মতো অ্যান্টিবায়োটিক নিতে নিতে শরীরে তৈরি হচ্ছে ‘অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স’ বা ‘অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স’ (এএমআর)। এটাই ডেকে আনছে আগামী দিনের গুরুতর বিপদ।

চিকিৎসকদের আশঙ্কা, সতর্ক না হলে এমন একটা সময় আসবে যখন অধিকাংশ সুপারবাগের সঙ্গে লড়ার মতো কোনো ওষুধই পাওয়া যাবে না। ফলে বহু রোগের চিকিৎসা মিলবে না।

এএমআর-এর ক্ষতির নিরিখে বিশ্বের প্রথম পাঁচের মধ্যে রয়েছে ভারত। ডব্লিউএইচও-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশটিতে পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের মৃত্যুর ২৫ শতাংশ ঘটছে নিউমোনিয়া থেকে। যা সারানো যাচ্ছে না এএমআর-এর কারণেই।

ফ্যাট, খিদে এসব সামলায় ঘ্রেনিল নামের হরমোন। শরীরের ভাল কিছু জীবাণুর উপস্থিতিতে এর কাজকর্মের গতি বাড়ে। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিকের ঘন ঘন ব্যবহার এই ভাল জীবাণুগুলোকে মেরে ফেলে। ফলে ওজন বাড়ে। এদের মৃত্যুতে পাকস্থলীতে ইস্ট সংক্রমণ বেড়ে শরীরে পানি যেমন জমে, তেমনই থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যও নষ্ট করে।

কাজেই বিজ্ঞানীদের পরামর্শ হলো, কথায় কথায় অ্যান্টিবায়োটিক না খেয়ে ভাল খাওয়া–দাওয়া করে, পরিমিত ব্যায়াম করে ও নিয়ম মেনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো দরকার৷ তাতে রোগ যেমন কম হবে, বশে থাকবে ওজনও৷ তাই সচেতনতার বিকল্প নেই।

-ওএএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ