রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদ চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪ পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন দিল সরকার  সৌদি আরবে অভিযান: ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত, গ্রেপ্তার ১৩ হাজারের বেশি  বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের শঙ্কায় ভারতের উপকূলে সতর্কতা  প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ

ইরানে বিক্ষোভকারীদের টার্গেটে কেন মসজিদ?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইরানে চলছে নজিরবিহীন বিক্ষোভ। রাজধানীর রাজপথ থেকে অলিগলি—বিক্ষোভকারীদের রোষানল থেকে রেহাই পাচ্ছে না ধর্মীয় স্থাপনা মসজিদও। গত কয়েক দিনে ইরানে দুই ডজনেরও বেশি মসজিদে আগুন দেওয়া হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন তেহরানের মেয়র আলিরেজা জাকানি। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন মসজিদের মতো ধর্মীয় স্থাপনাকে টার্গেট করছে বিক্ষোভকারীরা?

ইরানের বিক্ষোভে মসজিদ লক্ষ্যবস্তু হওয়ার প্রধান কারণ হলো দেশটিতে মসজিদের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ভূমিকা। মসজিদগুলোকে কেবল ধর্মীয় উপাসনালয় নয়, বরং বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকের মতে, ইরানে মসজিদগুলো এখন আর কেবল জনসাধারণের দ্বারা পরিচালিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নেই। কারণ এগুলোকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং প্রতিটি প্রদেশে খতিবদের সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় থেকে নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দেশের অনেক মসজিদে সরকারের অনুগত আধাসামরিক বাহিনী 'বাসিজ'-এর ঘাঁটি স্থাপন করা হয়েছে। এই বাহিনীর সদস্যরা বিক্ষোভ দমনে সরাসরি অংশ নেয়। ফলে মসজিদগুলো বিক্ষোভকারীদের কাছে দমন-পীড়নের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চার দশকেরও বেশি সময়ের লৌহকঠিন শাসনে এমন জনবিস্ফোরণ আগে কখনো দেখা যায়নি। ইরানের সংবিধানের ১৮৬ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কোনো গোষ্ঠী কিংবা সংগঠন যদি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অবস্থান গ্রহণ করে— তাহলে ওই গোষ্ঠীর বা সংগঠনের সব সদস্যকে মোহারেব বা আল্লাহর শত্রু বলে গণ্য করা হবে। এরই মধ্যে ইরানের বিক্ষোভরত জনতাকে ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি সরকার। আর ইরানের সংবিধান অনুযায়ী আল্লাহর শত্রুদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ