শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১০ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৭ বছর অপেক্ষার পর লটারিতে হজের সুযোগ পেল তুর্কি দম্পতি চুপ্পুর পদত্যাগ যথেষ্ট নয়, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে: বিকেএম ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ‘মাদরাসায় ছাত্রীদের ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনা ইসলামি শিক্ষার স্বকীয়তার পরিপন্থী’ চুপ্পুর পদত্যাগকে স্বাগত, রাষ্ট্রপতি পদে ব্যক্তিত্ববান কাউকে চায় ইসলামী আন্দোলন আল-জামিয়া পটিয়ার পক্ষ থেকে চকরিয়া-পেকুয়ায় খাদ্য সহায়তা বিতরণ নিজামীপুত্রের ইমামতি ঘিরে মসজিদে হাতাহাতি কিশোরগঞ্জে বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত ১ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

ইরানে বিক্ষোভকারীদের টার্গেটে কেন মসজিদ?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইরানে চলছে নজিরবিহীন বিক্ষোভ। রাজধানীর রাজপথ থেকে অলিগলি—বিক্ষোভকারীদের রোষানল থেকে রেহাই পাচ্ছে না ধর্মীয় স্থাপনা মসজিদও। গত কয়েক দিনে ইরানে দুই ডজনেরও বেশি মসজিদে আগুন দেওয়া হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন তেহরানের মেয়র আলিরেজা জাকানি। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন মসজিদের মতো ধর্মীয় স্থাপনাকে টার্গেট করছে বিক্ষোভকারীরা?

ইরানের বিক্ষোভে মসজিদ লক্ষ্যবস্তু হওয়ার প্রধান কারণ হলো দেশটিতে মসজিদের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ভূমিকা। মসজিদগুলোকে কেবল ধর্মীয় উপাসনালয় নয়, বরং বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকের মতে, ইরানে মসজিদগুলো এখন আর কেবল জনসাধারণের দ্বারা পরিচালিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নেই। কারণ এগুলোকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং প্রতিটি প্রদেশে খতিবদের সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় থেকে নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দেশের অনেক মসজিদে সরকারের অনুগত আধাসামরিক বাহিনী 'বাসিজ'-এর ঘাঁটি স্থাপন করা হয়েছে। এই বাহিনীর সদস্যরা বিক্ষোভ দমনে সরাসরি অংশ নেয়। ফলে মসজিদগুলো বিক্ষোভকারীদের কাছে দমন-পীড়নের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চার দশকেরও বেশি সময়ের লৌহকঠিন শাসনে এমন জনবিস্ফোরণ আগে কখনো দেখা যায়নি। ইরানের সংবিধানের ১৮৬ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কোনো গোষ্ঠী কিংবা সংগঠন যদি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অবস্থান গ্রহণ করে— তাহলে ওই গোষ্ঠীর বা সংগঠনের সব সদস্যকে মোহারেব বা আল্লাহর শত্রু বলে গণ্য করা হবে। এরই মধ্যে ইরানের বিক্ষোভরত জনতাকে ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি সরকার। আর ইরানের সংবিধান অনুযায়ী আল্লাহর শত্রুদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ