মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাওলানা যাইনুল আবিদীনের ‘লামাজহাবী: মুখ ও মুখোশ’ গ্রন্থের পাঠোন্মোচন রাতে চার দশক পর জাতিসংঘের সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ থানা থেকে লুট হওয়া সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত, শোক জানালেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী রোগীর মৃত্যু ঘিরে হাটহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উত্তেজনা, ভাঙচুর সৌদি আরবে হামলা নিয়ে হুথি কর্মকর্তার প্রশংসা মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি, এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতি দেশে ৮,২২৯টি এমপিওভুক্ত মাদরাসা রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আর ‘যথেষ্ট নয়’: কাতার ১০ মাসে হাফেজা হলেন ১৪ বছরের তানজিলা

ইরানে বিক্ষোভকারীদের টার্গেটে কেন মসজিদ?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইরানে চলছে নজিরবিহীন বিক্ষোভ। রাজধানীর রাজপথ থেকে অলিগলি—বিক্ষোভকারীদের রোষানল থেকে রেহাই পাচ্ছে না ধর্মীয় স্থাপনা মসজিদও। গত কয়েক দিনে ইরানে দুই ডজনেরও বেশি মসজিদে আগুন দেওয়া হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন তেহরানের মেয়র আলিরেজা জাকানি। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন মসজিদের মতো ধর্মীয় স্থাপনাকে টার্গেট করছে বিক্ষোভকারীরা?

ইরানের বিক্ষোভে মসজিদ লক্ষ্যবস্তু হওয়ার প্রধান কারণ হলো দেশটিতে মসজিদের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ভূমিকা। মসজিদগুলোকে কেবল ধর্মীয় উপাসনালয় নয়, বরং বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকের মতে, ইরানে মসজিদগুলো এখন আর কেবল জনসাধারণের দ্বারা পরিচালিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নেই। কারণ এগুলোকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং প্রতিটি প্রদেশে খতিবদের সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় থেকে নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দেশের অনেক মসজিদে সরকারের অনুগত আধাসামরিক বাহিনী 'বাসিজ'-এর ঘাঁটি স্থাপন করা হয়েছে। এই বাহিনীর সদস্যরা বিক্ষোভ দমনে সরাসরি অংশ নেয়। ফলে মসজিদগুলো বিক্ষোভকারীদের কাছে দমন-পীড়নের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চার দশকেরও বেশি সময়ের লৌহকঠিন শাসনে এমন জনবিস্ফোরণ আগে কখনো দেখা যায়নি। ইরানের সংবিধানের ১৮৬ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কোনো গোষ্ঠী কিংবা সংগঠন যদি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অবস্থান গ্রহণ করে— তাহলে ওই গোষ্ঠীর বা সংগঠনের সব সদস্যকে মোহারেব বা আল্লাহর শত্রু বলে গণ্য করা হবে। এরই মধ্যে ইরানের বিক্ষোভরত জনতাকে ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন ইসলামপন্থি সরকার। আর ইরানের সংবিধান অনুযায়ী আল্লাহর শত্রুদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ