সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

শিশুদের প্রতি মহানবীর ভালোবাসা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা আবদুল্লাহ আল ফারুক ।।

শিশুদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভালোবাসা ছিলো অগাধ ও অসীম। রহমতের নবীর প্রীতিময় সোহাগের প্রতিটি বিন্দু অবারিত ছিলো তাদের জন্যে। এমনিতেই তো নবীজির ভালোবাসার উপচে পড়া সিন্ধু ছোট-বড় প্রত্যেকের জন্যে উম্মুক্ত ছিলো। কিন্তু শিশুদের ক্ষেত্রে সেই ভালোবাসার প্রাবল্য যেনো আরো বেশি হয়ে ওঠতো। সীরাতের বইগুলোতে এ ধরনের অসংখ্য ঘটনা সমুজ্জ্বল হয়ে আছে আপন বিভায়। সংখ্যা গুণে নয়, সেখান থেকে মনে ধরেছে, এমন কয়েকটি সুচয়িত গল্প আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।

আমরা আমাদের যাপিত জীবনে দেখতে পাই, অনেক বাবাই তার সন্তানের জন্যে মুখিয়ে থাকেন না। শিশুর পাশ দিয়ে অনেক বড়কে দেখা যায় হেঁটে যাচ্ছেন নির্বিকার চিত্তে। আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলবৎ এমন ছিলেন না। কোনো শিশুকে দেখলে তিনি প্রাণবন্ত উচ্ছল না হয়ে পারতেন না। স্নেহের আঁচল ছড়িয়ে কাছে টেনে নিতেন। বুকের মমতায় সিক্ত করতেন। ভালোবাসার প্রীতিময় বাহুডোরে জড়িয়ে রাখতেন।…

নবীজির প্রতি মদীনার শিশুদের ভালোবাসাও ছিলো অন্য রকম। পথের মোড়ে, বাড়ির ধারে নবীজির প্রতি দৃষ্টি পড়লেই তারা ছুটে আসতো। কোলে ওঠার বায়না ধরতো। কতোরকম দুষ্টুমিতে মেতে ওঠতো।…

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাড়িতে এসে হাসান ও হুসাইনের সঙ্গে খেলা করতেন। প্রিয় নানাজানকে ওরাও খেলায় শরিক করে নিতো। সেজদারত নবীজির পিঠে দু’ভাই এসে বসে যেতো। অশ্ব বানিয়ে দাপিয়ে বেড়াতো। নামাযরত নবীজি অপেক্ষা করতেন, সংযম প্রদর্শন করতেন। তাদের নিজ ইচ্ছায় পিঠ থেকে নেমে যাওয়ার অপেক্ষায় থেমে থাকতেন।…

নামায শেষে নবীজিও তাদের সঙ্গে শিশুসুলভ খেলায় মেতে ওঠতেন। বালখিল্যতা করতেন। তাদের এই দুষ্টুমির জন্যে কখনো তিনি চোখ বড় করেননি। রুক্ষ শব্দ বলেননি। বরং তাদের প্রতিটি আচরণ উপভোগ করতেন।

হয়তো কেউ ভাবছো, আদরের কন্যা ফাতেমার সন্তান হওয়ার কারণে তাদেরকে তিনি ভালোবাসতেন। যেমনটি দেখা যায়, প্রত্যেক দাদা-দাদী, নানা-নানী নিজ দৌহিত্রদের সঙ্গে খুন-সুটি করে থাকেন। এমনটি আদৌ নয়। নবীজির ভালোবাসা কোনো আত্মীয়তার বন্ধনে বাঁধা পড়তো না। রক্ত ও আত্মীয়তার ব্যবধান ডিঙিয়ে তাঁর ভালোবাসা ছিলো প্রতিটি কোমলমতী শিশুর জন্যে। সব শিশুকেই তিনি সমান স্নেহের চোখে দেখতেন। আর ছেলেশিশু কি মেয়েশিশু― এ পার্থক্যের তো প্রশ্নই ওঠে না।…

তাই তো দেখতে পাই, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন নামায শেষে উপস্থিত লোকদের বলছেন― ‘আমি অনেক সময় ছোট্ট শিশুর কান্নার কারণ