সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

‘ওয়ায়েজদের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালা করবে ইত্তেফাকুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ‘ইত্তেফাকুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ’ দিনব্যাপী রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে ‘ওয়ায়েজ, খতিব ও দায়ী ওলামায়ে কেরামের করণীয়’ শীর্ষক এক কর্মশালার আয়োজন করেছে।

আগামী শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ‘ইত্তেফাকুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ’ এ কর্মশালা বাস্তবায়ন করবে।

সংগঠনের উপদেষ্টা শায়খুল হাদিস মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক, পীরে কামেল মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবি ও মুফাসসিরে কোরআন মাওলানা হাসান জামিল স্বাক্ষরিত প্রচারপত্রে বলা হয়েছে, ‘নিঃসন্দেহে ওয়াজ-নসিহত দ্বীনি দাওয়াত ও তালিমের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।

আল্লাহর মেহেরবানী, বাংলাদেশে সারাবছর ব্যাপকহারে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। মাহফিলগুলোর মাধ্যমে দেশব্যাপী ইসলামি পরিবেশ বিরাজমান থাকে। নানা ধরনের ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয়। মানুষ দ্বীনের পথে পরিচালিত হয়। বিপুল পরিমাণ নবীণ ও প্রবীণ ওলামায়ে কেরাম এ ময়দানে খেদমত আঞ্জাম দিয়ে থাকেন।

কিন্তু ধীরে ধীরে এ ময়দানকে নিয়ে বাতিলপন্থীরা ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। দ্বীনের এই মহান ক্ষেত্রটিকে সংকুচিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এক্ষেত্রে আমাদের সরলমনা অনেক ভাইয়ের কিছু কিছু অপরিণামদর্শী কার্যকলাপ ষড়যন্ত্রের যাচ্ছে ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে রসদ জোগাচ্ছে।’

সংগঠনের উপদেষ্টা শায়খুল হাদিস মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেন, এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, ‘দাওয়াত ও নসিহতের লক্ষ্যে যারা মাঠে-ময়দানে বক্তব্য দিয়ে থাকেন, তাদেরকে সহযোগিতা করা; তাদের সামনে ওয়াজ-নসিহত ও দাওয়াতের উদ্দেশ্য এবং কর্মপন্থা বিষয়ে দিক-নির্দেশনা দেওয়া।

সেই সঙ্গে এই ময়দানে কর্মরতদের মধ্যে সমন্বয় সাধন ও তাদেরকে সংগঠিত করে বিভিন্ন প্রতিকূলতার মোকাবিলা করা ও জবাবদিহিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা। এটা কোনো সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনী কিংবা শোডাউন নয়, এটি প্রশিক্ষণমূলক একটি কর্মসূচি।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ