শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
বাড়তে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীর পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা ‘আয়নাঘর’ বিগত সরকারের ‘ফ্যাসিবাদী’ চরিত্রের চরম বাস্তবতা: চিফ প্রসিকিউটর বৃষ্টির আশায় তামিলনাড়ুতে মুসল্লিদের বিশেষ নামাজ ও মোনাজাত! জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট ‘নৈতিকতা, আদর্শ, সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে’ প্রচণ্ড গরম জাহান্নামের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়: মসজিদে নববীর খতিব বিকেএমের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় অধিবেশন চলছে মক্কায় বাঙালি নারী প্রতিষ্ঠিত প্রথম কওমি মাদরাসা! দুই প্রতিষ্ঠানে ‘যে গল্পে ঈমান জাগে’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন দৃষ্টির হেফাজত ঈমানের নূর ও অন্তরের প্রশান্তির উৎস: মসজিদে হারামের খতিব

সত্যিই কি রোজাদারের খাবারের হিসাব হবে না?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : কোনো কোনো মানুষকে বলতে শোনা যায়,রোজাদারের খাবারের কোনো হিসাব হবে না। এটি একটি ভুল কথা। খাবারের হিসাব বলতে সাধারণত খাবারের অপচয় বোঝায়। আর কুরআন হাদিসে এমন কোনো কথা নেই যে, রোজাদার যদি খাবার অপচয় করে তাহলে তার কোনো হিসাব হবে না।

যে ব্যক্তিই খাবার বা যেকোনো বস্ত্তই অপচয় করুক আল্লাহর দরবারে তাকে এর হিসাব দিতে হবে। সুতরাং রোজাদার হোক বা যেই হোক খাবার বা যেকোনো বস্ত্তর অপচয় থেকে বেঁচে থাকা জরুরি।

আর পানাহারের ক্ষেত্রে হারাম থেকে বেঁচে থাকা ফরজ- তা তো সব সময় এবং সর্বাবস্থারই বিধান। হিসাবের প্রশ্ন আসে হালালের ক্ষেত্রে; নিয়ামতের যথাযথ ব্যবহার হল কি না এবং তার শোকর আদায় করা হল কি না।

হারামের উপর তো সরাসরি শাস্তি হয়। তাই প্রচলিত এ বাক্য শুনে এরূপ মনে করা যে, হারাম খেলেও কোনো হিসাব নেই তা আরো ভয়াবহ।

(মারকাযুদ দাওয়া আল-ইসলামিয়া’র আমিনুত তালিম মাওলানা আব্দুল মালেক রচিত ‘প্রচলিত ভুল’ গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত)

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ