শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ।। ১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৫ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘সড়কে সুশাসন বিলাসিতা নয়, মানুষের জীবনরক্ষার অপরিহার্য শর্ত’ কাউন্টারে ভাড়ার চার্ট টানিয়ে রাখার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের মার্কিন দূতাবাসকর্মীদের ওমান ছাড়ার নির্দেশ সংসদ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করলেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ যানজট কমাতে ঈদের আগে-পরে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ থাকবে আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে একজন করে ইমাম থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী ইমামদের পক্ষে শায়খে চরমোনাইয়ের যে দাবি মেনে নিলেন প্রধানমন্ত্রী ওমরাহ পালনে সৌদি গেলেন আমিরে মজলিস ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

শুরু হলো কর্ণফুলী নদীর দুই তীরের উচ্ছেদ অভিযান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।

২০১৬ সালে হাইকোর্ট নদীর তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা সরাতে আদেশ দিলেও নানা ঝামেলায় শুরু হয়নি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কাজ।

আজ সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহামিনুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান শুরু করেন।

অভিযানে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে কর্ণফুলী নদীর গতিপথ স্বাভাবিক রাখতে নদীর সীমানা নির্ধারণ, দখল, ভরাট ও নদীতে যে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ রাখতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন।

২০১০ সালের ১৮ জুলাই কর্ণফুলী নদীর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও ভূমি জরিপ অধিদফতরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।এরপর ২০১৬ সালের ১৬ আগস্ট হাইকোর্ট কর্ণফুলী নদীর দুই তীর দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা সরাতে ৯০ দিন সময় বেঁধে দিয়ে আদেশ প্রদান করেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ