শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
চট্টগ্রামে বিএসটিআই ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ‘সরকার বিদ্যুতের ট্যারিফ স্থিতিশীল রাখতে একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে’  ‘নবীন কর্মকর্তারা মাঠমুখী হয়ে কাজ করলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে’ গণভোটের ফলাফলে সংশোধনী এনেছে ইসি  ‘সরকারি কর্মকর্তারা সঠিক সময়ে অফিসে না আসলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ জামালপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: জরিমানা ২০ হাজার  বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই: নরেন্দ্র মোদী স্বাস্থখাতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী নতুন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দ চূড়ান্ত, কে কোথায় পেলেন রোজায় পানি শূণ্যতা পূরণ করবে যে ৫টি ফল

নির্বাচনে সবার জন্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছিল না: টিআইবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দল ও প্রার্থীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছিল না বলে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

এ ছাড়া ভোটের অসঙ্গতি খতিয়ে দেখতে বিচার বিভগীয় তদন্ত দাবি করেছে সংস্থাটি।

আজ মঙ্গলবার সকালে ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারের নিজস্ব কার্যালয়ে ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশের সংবাদ সম্মেলনে এসব মতামত ব্যক্ত করে টিআইবি।

এক গবেষণা প্রতিবেদনে টিআইবি বলছে, নির্বাচনী অনিয়ম ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে বিশেষ করে সরকারি দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার উদাহরণ তৈরি করতে পারেনি।

ফলে নির্বাচন কমিশন যেমন সব দল ও প্রার্থীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে পারেনি, আবার লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে কি না, তা নিয়েও কমিশনারদের মধ্যে মতবিরোধ প্রকাশ পেয়েছে, যাতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থার ঘাটতি তৈরি করেছে।

তবে সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অংশ নেওয়ায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক আখ্যা দিয়েছে টিআইবি। কিন্তু তারা দাবি করছে, এবারের নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক বলা গেলেও তা কোনোভাবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বলার সুযোগ নেই।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যালোচনা করে টিআইবি বলছে, নির্বাচন কমিশন অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ ভূমিকা পালন করতে সমর্থ হয়নি। তারা নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য সক্রিয় কোনো উদ্যোগ নেয়নি। সবার জন্য সভা-সমাবেশ করার সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও তেমন কোনো ভূমিকা পালন করেনি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নির্বাচনে বিরোধী দলের নেতাকর্মী দমনে সরকারের ভূমিকার পরিপ্রেক্ষিতে অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন নীরবতা পালন করেছে বা ক্ষেত্র বিশেষে অস্বীকার করেছে। সব দল ও প্রার্থীর প্রচারণার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পারেনি এবং একইসঙ্গে সব দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের নিরাপত্তাও দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল, নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

টিআইবি এবারের নির্বাচনে দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে ৪৫টি জেলার ৫০টি আসনের নির্বাচন বিষয়ে গবেষণা করে। তারই আলোকে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ