বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ৯ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
চট্টগ্রামে বিএসটিআই ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ‘সরকার বিদ্যুতের ট্যারিফ স্থিতিশীল রাখতে একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে’  ‘নবীন কর্মকর্তারা মাঠমুখী হয়ে কাজ করলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে’ গণভোটের ফলাফলে সংশোধনী এনেছে ইসি  ‘সরকারি কর্মকর্তারা সঠিক সময়ে অফিসে না আসলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ জামালপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: জরিমানা ২০ হাজার  বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই: নরেন্দ্র মোদী স্বাস্থখাতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী নতুন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দ চূড়ান্ত, কে কোথায় পেলেন রোজায় পানি শূণ্যতা পূরণ করবে যে ৫টি ফল

ক্ষুব্ধ হয়ে ইসির সঙ্গে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের বৈঠক ত্যাগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে তুমুল উত্তাপ ছড়িয়েছে। আলোচনার এক পর্যায়ে সভা শেষ না করেই ক্ষুব্ধ হয়ে বেরিয়ে আসেন ড. কামাল হোসেনসহ ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয় নির্বাচন ভবনে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ড. কামাল হোসেন কোনো কথা বলেননি।মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সিইসির বিরুদ্ধে ‘অশোভন’ আচরণের অভিযোগ তোলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সিইসি জাতীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছেন।তিনি বলেন, সরকার ও ইসি মিলে নির্বাচন বানচাল করতে চাইলে সিদ্ধান্ত জনগণের হাতে।

জাতীয় ঐক্যফ্রণ্টের শীর্ষ নেতারা সিইসি কে এম নূরুল হুদার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তোলেন।

ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সিইসির আচরণে ভদ্রতাজনিত ছিল না। এ জন্য আমরা সভা বয়কট করেছি।

তিনি বলেন, যৌথভাবে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন। তারা নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। ইসি সরকারের পক্ষ হয়ে গেছে। তবে আমরা নির্বাচনে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে দেব না।

পুলিশের বিরুদ্ধে ঐক্যফ্রন্টেন করা অভিযোগ সিইসি গ্রহণ করেননি জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, সিইসি কোনো মার্জিত আচরণ করেননি। আমরা পুলিশের দ্বারা নির্যাতিত হওয়ার কথা জানালে তিনি কোনো সহানুভূতি না জানিয়েছে হঠাৎ করেই পুলিশের পক্ষেই অবস্থান নেন। এ কারণে আমরা বৈঠক থেকে উঠে এসেছি।

সংবাদ সম্মেলনের পর ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সভার বর্ণনা দিয়ে বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন তার বক্তব্যে সিইসির উদ্দেশ্যে বলেন, সিইসি বর্তমানে প্রধান বিচারপতির চেয়েও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারেন।

আপনি ইচ্ছা করলে জানোয়ার-লাঠিয়াল পুলিশ বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।  আমাদের মিটিং মিছিল কিছুই করতে দিচ্ছে না আপনার এই লাঠিয়াল পুলিশ বাহিনী। এমনকি বেলা ২টার পর মাইক ব্যবহারের জন্য আমাদের নির্দেশনা দিয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ তার জোটেরা নিয়ম কানুন না মেনে পুলিশের সহায়তায় প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

ড. কামাল হোসেন আরও বলেন, পুলিশ ও আওয়ামী লীগের গুন্ডা বাহিনী আমাদের ওপর হামলা করছে। আমাদের প্রার্থীদের জীবনের দাম না থাকলেও কর্মীদের জীবনের দাম রয়েছে। তাদের তো রক্ষা করতে হবে।

ড. কামাল হোসেনকে বলেন, আপনি এমন কী হয়েছেন যে, পুলিশকে লাঠিয়াল-জানোয়ার বলছেন? নিজেকে কী মনে করেন? তখন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান সিইসিকে বলেন, নির্বাচনের কোনো পরিবেশ যদি সৃষ্টি করতে না পারেন, তাহলে বলে দেন, আমরা আজকেই প্রেস ক্লাবে গিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বর্জনের বিষয়ে ঘোষণা দিই।

সিইসির পক্ষ থেকে ইতিবাচক কোনো সাড়া না পেয়ে দুপুর ২টা দিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা সংক্ষুব্ধ হযে সভাস্থল ত্যাগ করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মোস্তফা মহসীন মন্টু প্রমুখ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ