বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৬ মাঘ ১৪৩২ ।। ২ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রমজান ও নির্বাচন সামনে রেখে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিতের নির্দেশ অর্ধশতাধিক আসনে খেলাফত মজলিসের মনোনয়ন প্রত্যাহার হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে ইমামকে অনন্য সম্মান তারেক রহমানের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই : তারেক রহমান রমজানে একজন দক্ষ দাঈ হিসেবে গড়ে তোলার আয়োজন আস-সুন্নাহর ২৯ আসনে খেলাফত মজলিসের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিলেট-৩: মুসলেহ উদ্দীন রাজুকে সমর্থন জানিয়ে সরে গেলেন তিন প্রার্থী যে কারণে একের পর এক খুন করেন সম্রাট

মোদীকে উদ্দেশ্য করে কথা সংযমের আদেশ মনমোহনের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার  ইসলাম: সম্প্রতি ছত্তীসগঢ়ের নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে রাহুল গান্ধী ও তার পরিবার নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন নরেন্দ্র মোদী। নেহরু-গান্ধী পরিবারে বিরুদ্ধে কটাক্ষ করেন তিনি। রাহুলের উদ্দেশে মোদীর প্রশ্ন ছিল, তার এলাকা এতদিনেও কেন উন্নয়ন হয়নি?

কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের কটাক্ষ, বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়েও অশালীন কটাক্ষ করতে দেখা গিয়েছে কংগ্রেসের নেতাদের। রাফাল ইস্যুতে নরেন্দ্র মোদীকে ‘চোর’ বলে সম্বোধন করেন রাহুল।

ভোটের  সময়কালীন অশালীন মন্তব্যের  ঝড় উঠেছে। নিজেদের অকৃতিত্বের কৃতিত্বকে  সামলাতেই মাঝেমধ্যে বেঁফাস মন্তব্য করে ফেলছেন শাসক গোষ্ঠী ও বিরোধী  সব নেতারাই। বাদ পড়ছেন না খোদ প্রধানমন্ত্রীও।

গান্ধী-নেহরু পরিবারের তুলোধনা করতে গিয়ে ব্যক্তি আক্রমণও করতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। এ বার মোদীর বিরুদ্ধে মুখ খুললেন মনমোহন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দিলেন, প্রধানমন্ত্রীর পদে বসে, কথায় সংযম রাখা কতটা জরুরি। মনমোহন সিং এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে কথার সংযম থাকার উপদেশ দিলেন। তিনি বলেন, অবিজেপি শাসিত রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী গেলে, তাঁর ভাষার প্রতি সংযম থাকা বাধ্যতামূলক।

তিনি মনে করিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখে অশালীন ভাষা উচ্চারিত  হলে সেটাও আদর্শ  বলে গণ্য হয়। একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর আচরণ খুবই মূল্যবান। তার কাছে যে কোনও রাজ্য এবং নাগরিক সমান।

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ