শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩ রুপসায় ইসলামী আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম ‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’

আসানসোলের ইমামরা জাগছেন বিশ্ব জুড়ে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সুলাইমান সাদী : গত এপ্রিল মাসে ভারতের আসানসোলে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় নিজের সন্তানের প্রাণ গেলে স্থানীয় নুরানি মসজিদের ইমাম ইমদাদুল হক রাশিদি দাঁড়িয়েছিলেন অহিংসা নীতির কিংবদন্তী প্রচারকরূপে। সম্প্রতি নাইজিরিয়ার এক মুসলিম-খ্রিস্টান দাঙ্গায়ও এমন একজন ইমামকে পরধর্ম সহিষ্ণুতার প্রমাণ দিতে দেখা গেছে।

শনিবার নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলে হঠাৎ ফুঁসে ওঠা খ্রিস্টান-মুসলিম দাঙ্গায় স্থানীয় এক ইমাম তার গ্রামের দিকে পালিয়ে আসা শত শত ভীতসন্ত্রস্ত পরিবারকে আত্মগোপন করার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। ওই ইমাম তার নিজের জীবনের পরোয়া না করে নারী-শিশুসহ অসংখ্য মানুষকে ভয়াবহ দাঙ্গার হাত থেকে বাঁচালেন।

বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় হামলাকারীরা।

ইমাম তাঁর নিজের বাড়িতেই আশ্রয় দিয়েছেন প্রায় তিনশ মানুষ। বিবিসিকে তিনি জানান, দাঙ্গায় আক্রান্ত হয়ে পালিয়ে আসা নারীদের আমি আমার বাড়িতে জায়গা করে দিই এবং পুরুষদের নিয়ে যাই মসজিদে।

জানা যায়, খ্রিস্টানদের বাঁচাতে আসা ইমামকে দাঙ্গাকারীরা হুমকি দেয় পালিয়ে আসা লোকদের তাদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য। কিন্তু ইমাম সাহেব সশস্ত্র ব্যক্তিদের সামনে ওই লোকগুলোর প্রাণ ভিক্ষা চেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং অনুনয় করে তাদেরকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। এমন আকস্মিক ঘটনায় দাঙ্গাকারীরা শান্ত হয়ে পড়েন।

নাইজেরিয়া ওই অঞ্চলটিতে প্রায়ই এমন দাঙ্গার ঘটনা ঘটে থাকে। জমিজমা, চারণভূমি ইত্যাদি নিয়ে দাঙ্গার সূত্রপাত ঘটলেও সেটিকে ধর্মীয় সহিংসতায় রূপ দেয়ার চেষ্টা করা হয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সেখানে গত কয়েক বছর ধরে চলছে দাঙ্গা ও পাল্টাপাল্টি আক্রমণের ঘটনা। এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত শত শত মানুষ নিহত হয়েছে বলে এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়।

অবশ্য ২০১৬ সালের এক প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, নাইজেরিয়ার ওই অঞ্চলে ধর্মীয় দাঙ্গার চেয়ে গবাদিপশুর চারণভূমি নিয়ে ঘটা দাঙ্গা-হাঙ্গামায় বেশি মানুষ মারা গেছে।

শনিবারের এ ঘটনায় আবার ফুটে উঠেছে এপ্রিলের আসানসোলের চিত্র। ইমাম রাশিদির মতোই নিরাপত্তাজনিত কারণে নাম গোপন করা এ ইমাম জ্বলে উঠেছেন ইসলামের সম্প্রীতির শিক্ষায়। এসব ঘটনার মাধ্যমে বিশ্ব জুড়ে ইসলামের মৌলিক শিক্ষা আরো স্পষ্টতর হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

২৮ আসনের বাস পঞ্চাশ যাত্রী নিয়ে খাদে, নিহত ৪৮


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ