বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার ৬৬.৩%, সরকারের সার্বিক কর্মকাণ্ডে ৫৪.৫% কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে খেলাফত মজলিসের শোক ‘মাদরাসা ছাত্রদের ওপর পুলিশি হামলা বিগত ফ্যাসিবাদী আচরণ স্মরণ করিয়ে দেয়’ দারুল আরকামের ছাত্রদের লাঠিচার্জের ঘটনায় ৩ পুলিশ প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি মরুর বুকে সত্যবাদী কিশোর ‘রহমতের ধর্মে তোমাকে স্বাগতম’—রবার্তো কার্লোসকে কাবার ইমামের অভিনন্দন ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৭১ গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৬ টানা বৃষ্টিতে দারুল উলুম দেওবন্দের ‘বাবুজ জাহির’ ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত ১২ রবিউল আউয়াল উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ

মাহাথির মুহাম্মদের নতুন পাঁচ উপদেষ্টা নিয়োগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: খুব তাড়াতাড়ি ১০০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে যাচ্ছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ। এজন্যে তিনি ৫জন উপদেষ্টা নিয়োগ দিয়েছেন। এদের প্রায় সবাই মাহাথিরের সঙ্গে দুই দশক ধরে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

মাহাথির যতক্ষণ না নতুন অর্থমন্ত্রী নিয়োগ দিচ্ছেন তার অভাব পূরণ করবেন এরা। এরাই মাহাথিরের উপদেষ্টা দল। এমন তথ্য দিয়ে ২১ মে সোমবার খবর প্রকাশ করেছে ব্লুমবার্গ।

এদের মধ্যে রয়েছেন- দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, কোটিপতি ব্যবসায়ী, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও সরকারি তেল কোম্পানির সাবেক নির্বাহী। তারা এরই মধ্যে সেলস ট্যাক্স আরোপ, জ্বালানি ভর্তুকি চালু, বড় ধরনের সরকারি প্রকল্প পর্যালোচনা ও বেতন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছেন।

এদের একজন হচ্ছেন দাইম জাইনউদ্দিন (৮০) যিনি ব্রিটেন থেকে আইন বিষয়ে লেখাপড়ার পর রিয়েল এস্টেট ও ব্যাংকিং ব্যবসা শুরু করেন। ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন দেশটির অর্থমন্ত্রী।

১৯৯৯ থেকে ২০০১ সালে এশিয়ায় যে অর্থনৈতিক বিপর্যয় শুরু হয় তা থেকে তিনি তার দেশকে রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। ব্যাংকগুলোর সুদের হার হ্রাস, রাস্তাঘাট ও শিক্ষায় বিনিয়োগ করে বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবেলা করেন তিনি।

দ্বিতীয় জন হচ্ছেন জেইতি আখতার আজিজ (৭০)। মালয়েশিয়ার প্রথম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে ১৬ বছর দায়িত্ব পালন করেন। পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতির ওপর ডক্টরেট করেন তিনি। বিনিয়োগকারীদের শক্তিশালী উদ্যোগে তার ভূমিকা অপরিসীম। ১৯৯৮ সালে তিনিই ঘোষণা দেন পুঁজি নিয়ন্ত্রণের।

তৃতীয় জন হচ্ছেন হাসান ম্যারিকান (৬৫)। ১৯৯৫ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ার জাতীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান পেট্রোলিয়াম ন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী ছিলেন। যার হাতে গড়ে ওঠে পেট্রোনাস; যা বিদেশে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

জ্বালানি খাতে তার রয়েছে তিন দশকের কাজের অভিজ্ঞতা। আর এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছে সিঙ্গাপুর সরকার। টেমাসেক ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভাইসরসের সিনিয়র উপদেষ্টা তিনি।

চতুর্থ জন হচ্ছেন জোমো কাওয়াম সুন্দরাম (৬৫)। এই প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ একসময় জাতিসংঘের মহাসচিবের উন্নয়ন সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। ইয়েল ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা শেষ করার পর মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক অর্থনীতির ওপর তার বিখ্যাত বই ‘এম ওয়ে: মাহথির’স ইকোনোমি পলিসি লিগ্যাসি’লেখেন।

মালয়েশিয়ায় চীনের বিনিয়োগের ব্যাপারে আগেভাগেই সতর্ক করে তিনি বলেছিলেন, পরাশক্তি একটি দেশকে কখনও উন্নয়নের জন্যে ‘ব্লাঙ্ক চেক’দেয়া যায় না।

পঞ্চম জন হচ্ছেন রবার্ট কুক (৯৪)। বাণিজ্য সম্প্রসারণে যিনি অকাতরে বিনিয়োগ করার জন্যে ‘সুগার কিং’হিসেবে পরিচিত। হংকং ও সিঙ্গাপুরেও ব্যাপক বিনিয়োগ করেছেন কুক। বেইজিংয়ে সর্বোচ্চ উঁচু ভবনের মালিক ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় পামওয়েল ব্যবসায়ী তিনি।

চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখেন কুক। চীনের সঙ্গে মালয়েশিয়ার ৩৪ বিলিয়ন ডলারের গ্যাস পাইপলাইন ও ১৭ বিলিয়ন ডলারের ইস্ট কোস্ট রেইল লিংক প্রকল্পের অন্যতম রূপকার তিনি।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ