শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বালাগঞ্জে বিকেএমের ওয়ার্ড প্রতিনিধি ও দায়িত্বশীল সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশ গড়ার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল মহিলা মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ, ৫ শিক্ষার্থী আহত নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২ রিজভীর স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, নেতাকর্মীদের সতর্ক করল বিএনপি রাজধানীতে ‘বযমে নাতে মুস্তফা (সা.)’ অনুষ্ঠিত দেশপ্রেম দেখাতে শব্দ চয়নে সতর্ক বার্তা মুফতি শামাইল নদভীর ‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার

মাদানী রহ.অপরিচিতদের হাদিয়া দেওবন্দ মাদরাসায় দিয়ে দিতেন: দরসে আল্লামা পালনপুরী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাওলাদার জহিরুল ইসলাম: দারুল উলুম দেওবন্দের দরস মানেই ভিন্ন আমেজ। দরসে শিক্ষকদের পড়ানোর আকর্ষণীয় পদ্ধতীই শিক্ষার্থীদের মনযোগ ধরে রাখে পুরো দরসজুড়ে। কিতাবি বিদ্যার সাথে সাথে কতো বিদ্যা যে পাওয়া যায় এসব দরসে তার হিসেব করা কঠিন। প্রতিটি কথাই যেন লিখে রাখার মতো আকাবির আসলাফদের। তাকওয়া ত্বহারাত আর বিস্মকর ত্যাগের ঘটনা শুনে শুনে চোখের পাতা ভিজে আসে শিক্ষার্থীদের।

মাদারে ইলমি দারুল উলুম দেওবন্দে যাদের দরস সর্বাধিক জনপ্রিয় তাদের শীর্ষে আল্লামা মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরি। দীর্ঘ দুই ঘণ্টার দরস যে কখন শেষ হয়ে যায় তা নিয়ে ভাবনায় পড়তে হয় মাঝে মাঝে। মনে হয়, ‍যদি শেষ না হয়ে আরো কিছুক্ষণ তিনি পড়াতেন!

আল্লামা পালনপুরির প্রতিটি কথা যেন কষ্টিপাথরে যাচাই করা। শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে দাগ কাটে নিজের অজান্তেই। দরসের ফাঁকে ফাঁকে জীবন গঠনমূলক নানা ঘটনা ও গল্প শোনান। আকাবিরে দেওবন্দের এমন এমন ঘটনা শোনান যা সাধারণত ইতোপূর্বে শোনা যায় নি।

আজ বুধাবার দাওরায়ে হাদিসের দরসে শায়খুল ইসলাম হজরত হুসাইন আহমদ মাদানি রহ.এর চমৎকার শিক্ষণীয় ঘটনা বলেন।

বুখারী শরীফের সবক যখন
باب قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {وَالْعَامِلِينَ عَلَيْهَا} وَمُحَاسَبَةِ الْمُصَدِّقِينَ مَعَ الإِمَامِ:
এখানে পৌঁছে তখন তিনি বলেন, হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ. একই সঙ্গে দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররসীন ও শাইখুল হাদিস ছিলেন।এর পাশাপাশি তিনি পুরা ইন্ডিয়ার অন্যতম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেশ ও মুসলমানদের ভিবিষ্যত বিনির্মাণে কাজ করতেন দেশময়।

তিনি বর্ণনা করেন, হযরত হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ.কে কোন পরিচিত বন্ধু-বান্ধব বা মুরীদ,  কোন মুহিব্বীন-মুতাআল্লক্বীন কোন হাদিয়া দিলে গ্রহণ করতেন আর অপরিচিত কেউ হাদিয়া দিলে মাদ্রাসার হিসাব বিভাগে নিয়ে জমা দিতেন।

বলতেন, ‘আমি হুসাইন আহমাদকে কয়জনে আমার ব্যক্তি হিসেবে চিনে? আমাকে তো সবাই দারুল উলুম দেওবন্দের সাথে সম্পর্ক থাকার কারণে চিনে৷তাই অপরিচিত ব্যাক্তিদের হাদিয়া মাদ্রাসায় জমা দেয়াই কর্তব্য বলে মনে করি।’

আকাবিরদের এমন বিস্ময়কর ত্যাগ আর পরহেযগারিতা যেন আমাদেরকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করে। বার বার ভাবিয়ে তোলে আমরা তাদের যোগ্য উত্তরসূরী হতে পাবো তো?


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ