শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
উলামা মাশায়েখ ও মাদরাসার ছাত্রদের সম্মানে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর ইফতার মাহফিল  খতমে নবুওয়াত বিরোধীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা : প্রধানমন্ত্রী ২ দিন বৃষ্টির আভাস জানিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা ১৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত শেয়ার বাজারসহ ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ বাড়বে: অর্থমন্ত্রী রমজান উপলক্ষে ৮২৩ খাদ্যপণ্যে বিশেষ ছাড় আরব আমিরাতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের আটজনের দফতর বণ্টন কে কোন দফতরে? রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় দিনের বেলা হোটেল বন্ধ রাখার আহ্বান খেলাফত মজলিসের ‘মানুষকে ডাক্তারের পেছনে নয়, ডাক্তার মানুষের পেছনে ঘুরবে’

জল্লাদের মহড়া, যেকোনো সময় মুফতি হান্নানের ফাঁসি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে হরকাতুল জিহাদ (হুজি) নেতা মুফতি আবদুল হান্নানের ফাঁসি কার্যকরের জন্য সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। যেকোনো সময়ে ফাঁসি হতে পারে বলে জানিয়েছেন কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. মিজানুর রহমান।

মিজানুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে করা প্রাণ ভিক্ষার আবেদন নাকচ হওয়ার খবর গত সোমবার দুই আসামিকে জানানো হয়। তাঁদের স্বজনদেরও কারাগারে এসে শেষ দেখা করতে গতকাল সকালে বার্তা পাঠানো হয়। আজ সকালে মুফতি হান্নানের স্ত্রী, দুই মেয়ে ও বড় ভাই ভোরে কারাগারে এসে পৌঁছান। এর আগে কেউ মুফতি হান্নানের সঙ্গে দেখা করতে আসেনি।

এদিকে ফাঁসি কার্যকরের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানান মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, কারাগারে জল্লাদ ও ফাঁসির মঞ্চ সবকিছুই প্রস্তুত আছে। এরই মধ্যে ফাঁসির মহড়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

এর আগে ভোর ৬টার দিকে মুফতি হান্নানের সঙ্গে শেষ দেখা করতে কারাগারে আসেন তাঁর স্ত্রী রুমা আক্তার, দুই মেয়ে নাজনীন ও নিশাত এবং বড় ভাই আলিউজ্জামান। সাক্ষাৎ শেষে সকাল সোয়া আটটার দিকে তাঁরা কারাগার ত্যাগ করেন।

সাক্ষাতের পর আলিউজ্জামান কারা ফটকে সাংবাদিকদের বলেন, ‘মুফতি হান্নান পরিবারের সদস্যদের বলেছেন, যা কিছু হয়েছে আল্লাহর ইচ্ছায় হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব মামলা মিথ্যা। এর বিচার আল্লাহই করবেন।’

এ সময় দুই মেয়েকে দেখাশোনার জন্য আলিউজ্জামানকে অনুরোধ করেন মুফতি হান্নান।

এদিকে গতকাল বিকেল থেকে কারাগার ও আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা তৎপরতা। সাদা পোশাকে পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।

২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। হামলায় আনোয়ার চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত এবং পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন নিহত হয়।

প্রসঙ্গ কওমি স্বীকৃতি: ‘বন্যরা বনেই সুন্দর’


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ