বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
কক্সবাজার জেলা জমিয়তের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা ঢাকাস্থ জামালপুর জেলা ওলামা পরিষদের পুরস্কার প্রদান ৩ অক্টোবর মাঝ আকাশে ককপিটে দুই পাইলটের মারামারি, ছুরিকাহত একজন সিদ্ধিরগঞ্জের গ্লোবাল এডুকেশনে প্রধান ও সহকারী বাবুর্চি নিয়োগ সায়েদাবাদের দূরপাল্লার বাস স্থানান্তর হচ্ছে কাঁচপুরে : ডিএসসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৪৮ জন মিরপুরে সংঘর্ষ: সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের আপত্তি নেই মরিয়ম পরিবারের গাজী নজরুলের জামিনে ‘প্রতিবাদের নামে অশ্লীলতা ছড়ানোর কর্মসূচি প্রত্যাহার করুন’ চীনের বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রোহিঙ্গা নিধনের অভিযোগ অস্বীকার সুচির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

suchi3মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের জাতিগতভাবে নিধন করা হচ্ছে এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন দেশটির গণতন্ত্রকামী নেত্রী অং সান সুচি।

বিবিসি-কে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি দেশটির রাখাইন রাজ্যে চলমান সমস্যার কথা স্বীকার করেন।

তিনি বলেছেন, রাখাইন প্রদেশে যথেষ্ট বৈরিতা রয়েছে। তবে একটি জাতিকে 'নিধন' করা হচ্ছে শব্দটি সেখানকার পরিস্থিতির জন্য বেশি কঠিন।

এ বছর প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন শান্তিতে নোবেল জয়ী মিয়ানমারের নেতা মিজ সুচি।

তাকে যখন প্রশ্ন করা হয় যে, মানবাধিকার রক্ষার দূত এবং শান্তিতে নোবেল জয়ী হয়েও সূচী ব্যর্থ হয়েছেন নিজের দেশে রোহিঙ্গাদের নির্মূলে বাধা দিতে- তখন তিনি এই অভিযোগ এড়িয়ে যান।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, রাখাইন প্রদেশে যথেষ্ট বৈরিতা রয়েছে, মুসলমানরাই মুসলমানদের হত্যা করেছে।

সেখানে নানা বিভক্তি রয়েছে মানুষের মাঝে এবং আমরা সেটাই কমানোর চেষ্টা করছি।

দীর্ঘ সাক্ষাতকারে সুচি এই বিষয় নিয়ে তার মতামত তুলে ধরে বলেন, সেখানে অক্টোবরে পুলিশের ওপর হামলা থেকেই সবকিছুর সূত্রপাত। এরপর সামরিক বাহিনী বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা করে।

এক প্রশ্নের জবাবে মিজ সুচি বলেছেন, পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে চলে যাওয়া রোহিঙ্গাদের কেউ ফিরে আসতে চাইলে তাদের সাদরে গ্রহণ করা হবে।

এর আগে রাখাইন রাজ্যে মুসলমানদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর হত্যা, ধর্ষণের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের বিরুদ্ধে মুখ না খোলায় বিশ্বব্যাপী সমালোচিত হয়েছেন মিজ সুচি।

সে প্রসঙ্গে তার জবাব, তিনি মার্গারেট থ্যাচার কিংবা মাদার টেরিজা নন। তিনি শুধুই একজন রাজনীতিবিদ।

তবে, সবকিছু পর্যবেক্ষণে জাতিসংঘের সাবেক প্রধান কফি আনানকে আবারো রাখাইন রাজ্যে আমন্ত্রণ জানান।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ