সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রতি ১০ কিলোমিটারে একটি করে অ্যাম্বুলেন্স নিশ্চিত করা হবে: সড়কমন্ত্রী ‘মক্কা চুক্তি’তে আমন্ত্রণ পাওয়ার দাবি ইরানের জ্বালানি সরবরাহে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বিএনপি সরকার: নাহিদ ইসলাম স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন স্থানীয় ভাবে ঠিক করা হবে: রিজভী রাজনীতির ঊর্ধ্বে থেকে বাণিজ্যিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা   বায়তুল মোকাররমে পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি বাসের নিরাপত্তার চেয়ে অফিসের নিরাপত্তা নারীর বেশি জরুরী ভারতের হাসপাতালে আগুন, প্রাণ গেল ৩ নবজাতকের ভারতজুড়ে ফের আন্দোলনে নামার হুমকি সিজেপির

ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-শিবির রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পর এবার ঢাকা কলেজে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে শিবিরের অন্তত ২০ ও ছাত্রদলের ৭ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে ঢাকা কলেজের গ্যালারি নম্বর ২ এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী কলেজের ২ নম্বর গ্যালারিতে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ‘জুলাই অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে কলেজ শাখা ছাত্রশিবির। সেই প্রোগ্রামের ব্যানার টানানোর সময় অতর্কিত হামলা চালায় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ মামুন দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কলেজের গ্যালারি-২-এ শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান উপলক্ষে অফিস সম্পাদক আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে ৫ ও ৬ নম্বর গ্যালারিতে সাজসজ্জার কাজ চলছিল। এ সময় ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পারভেজ মোশারফের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী এসে আব্দুল মালেকসহ কয়েকজনকে মারধর করেন। এতে আব্দুল মালেক মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য পপুলার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ছাত্রদলের কর্মী রাসেল বলেন, সকালে শিবিরের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বহিরাগত শিবিরের কর্মীরা ক্যাম্পাসে জড়ো হন। এ সময় তারা ছাত্রদলের কর্মীদের উসকানিমূলক কথাবার্তা বলেন এবং এক কর্মীকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাসেল আরও বলেন, এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্র হয়ে ক্যাম্পাসে মিছিল বের করেন। পরে শিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে ধাওয়া দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

এদিকে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, অস্থায়ী আবাসন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু, মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়ন দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) প্রতিনিধিরা। এ ঘটনায় শিবির সমর্থিত জকসু ভিপি, জিএস, এজিএস ও সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীদের মারধর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার সময় প্ল্যাকার্ড নিয়ে জকসু প্রতিনিধিরা তাদের সমর্থকদের নিয়ে প্রবেশ করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

ছাত্রশিবিরের অভিযোগ, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফকে মারধর করতে করতে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রদল। হামলার সময় উপস্থিত ছিলেন জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল ও সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন।

এ বিষয়ে জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের মোবাইলে ফোন দেওয়া হলেও পাওয়া যায়নি। তবে জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়ার হোসেন বলেন, ছাত্রশিবির ও জকসু প্রতিনিধিরা পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা নিজেরা নিজেদের প্ল্যাকার্ড ছিড়ে আমাদের ওপর দায় চাপাচ্ছে।

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ